২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুমোদন

জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-এর আলোকে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক স্তরে পরিমার্জিত মূল্যায়ন কাঠামো কার্যকরের লক্ষ্যে মূল্যায়নবিষয়ক পরিমার্জিত অনুচ্ছেদ অনুমোদন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে গত ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় এ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। সভায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব ও দক্ষতাভিত্তিক করতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment) এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন (Summative Assessment)-এর মধ্যে যৌক্তিক সমন্বয় আনা হয়েছে। এ কাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বিত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে। পরিমার্জিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে সব বিষয়ে ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত থাকবে ৫০:৫০। তৃতীয় থেকে

২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুমোদন

জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-এর আলোকে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক স্তরে পরিমার্জিত মূল্যায়ন কাঠামো কার্যকরের লক্ষ্যে মূল্যায়নবিষয়ক পরিমার্জিত অনুচ্ছেদ অনুমোদন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে গত ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় এ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। সভায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব ও দক্ষতাভিত্তিক করতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment) এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন (Summative Assessment)-এর মধ্যে যৌক্তিক সমন্বয় আনা হয়েছে। এ কাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বিত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।

পরিমার্জিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে সব বিষয়ে ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত থাকবে ৫০:৫০। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার ভিত্তিতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শ্রেণিতে কেবল ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে।

সভায় আরও জানানো হয়, মূল্যায়নবিষয়ক পরিমার্জিত অনুচ্ছেদটি প্রচার এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম কাঠামো (NCF) সংরক্ষণ এবং মূল্যায়ন নির্দেশিকার প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন এই মূল্যায়ন ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতা কমিয়ে বাস্তবভিত্তিক শেখার অভিজ্ঞতা জোরদার এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের জন্য মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও সহজ করবে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ বাস্তবায়নে এ সিদ্ধান্ত প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow