২০২৬ সালে দ্রুত জনসংখ্যা বাড়ছে যেসব আরব দেশে
২০২৬ সালে আরব দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে ইরাক। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউর প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরে ইরাকের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ১ শতাংশ।
এই হারে ইরাক আরব বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিক থেকে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত (২ দশমিক ০২ শতাংশ), বাহরাইন (১ দশমিক ৯৬ শতাংশ) এবং কাতারের (১ দশমিক ৮৫ শতাংশ) মতো কয়েকটি ধনী উপসাগরীয় দেশের চেয়েও এগিয়ে আছে।
জনসংখ্যাবিষয়ক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ইরাকের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ। দেশটির জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে তরুণ, যেখানে গড় বয়স প্রায় ২১ বছর।
তালিকায় সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে সিরিয়া, যেখানে হার ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে সোমালিয়া (৩ দশমিক ৩১ শতাংশ), ওমান (৩ দশমিক ২২ শতাংশ), সুদান (৩ দশমিক ১৪ শতাংশ), ইয়েমেন (২ দশমিক ৮৪ শতাংশ) এবং মৌরিতানিয়া (২ দশমিক ৭৫ শতাংশ)।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরাকের তরুণ জনসংখ্যা ভবিষ্যতে দেশটির শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে একই সঙ্গে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সেবা খাতে বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার
২০২৬ সালে আরব দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে ইরাক। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউর প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরে ইরাকের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ১ শতাংশ।
এই হারে ইরাক আরব বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিক থেকে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত (২ দশমিক ০২ শতাংশ), বাহরাইন (১ দশমিক ৯৬ শতাংশ) এবং কাতারের (১ দশমিক ৮৫ শতাংশ) মতো কয়েকটি ধনী উপসাগরীয় দেশের চেয়েও এগিয়ে আছে।
জনসংখ্যাবিষয়ক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ইরাকের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ। দেশটির জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে তরুণ, যেখানে গড় বয়স প্রায় ২১ বছর।
তালিকায় সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে সিরিয়া, যেখানে হার ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে সোমালিয়া (৩ দশমিক ৩১ শতাংশ), ওমান (৩ দশমিক ২২ শতাংশ), সুদান (৩ দশমিক ১৪ শতাংশ), ইয়েমেন (২ দশমিক ৮৪ শতাংশ) এবং মৌরিতানিয়া (২ দশমিক ৭৫ শতাংশ)।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরাকের তরুণ জনসংখ্যা ভবিষ্যতে দেশটির শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে একই সঙ্গে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সেবা খাতে বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।