২০৩৫ এশিয়ান কাপ আয়োজনের দৌড়ে যারা
এশিয়ান কাপের আয়োজক হওয়ার দৌড় আরও জমে উঠেছে। এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের আগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও কুয়েত। একই সঙ্গে এই তিন দেশই ২০৩১ সালের আসর আয়োজনের প্রার্থীতাও জমা দিয়েছে বলে জানিয়েছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। এএফসি এক বিবৃতিতে জানায়, জাপানও আলাদাভাবে কেবলমাত্র ২০৩৫ সালের এশিয়ান কাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফলে ভবিষ্যতের এই আসরটি ঘিরে বড় ফুটবল শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এএফসির প্রেসিডেন্ট শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খালিফার প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০৩১ ও ২০৩৫ দুই আসরের আয়োজক দেশ একসঙ্গে একটি বার্ষিক কংগ্রেসেই চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দরপত্রদাতা সদস্য সংস্থাগুলোর (বিডিং মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন) সঙ্গে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে এএফসি। প্রয়োজনীয় দরপত্রসংক্রান্ত নথিপত্র জমা ও সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। ২০৩১ সালের এশিয়ান কাপ আয়োজনের দৌড়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তানের যৌথ
এশিয়ান কাপের আয়োজক হওয়ার দৌড় আরও জমে উঠেছে। এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের আগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও কুয়েত। একই সঙ্গে এই তিন দেশই ২০৩১ সালের আসর আয়োজনের প্রার্থীতাও জমা দিয়েছে বলে জানিয়েছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)।
এএফসি এক বিবৃতিতে জানায়, জাপানও আলাদাভাবে কেবলমাত্র ২০৩৫ সালের এশিয়ান কাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফলে ভবিষ্যতের এই আসরটি ঘিরে বড় ফুটবল শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
এএফসির প্রেসিডেন্ট শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খালিফার প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০৩১ ও ২০৩৫ দুই আসরের আয়োজক দেশ একসঙ্গে একটি বার্ষিক কংগ্রেসেই চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দরপত্রদাতা সদস্য সংস্থাগুলোর (বিডিং মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন) সঙ্গে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে এএফসি। প্রয়োজনীয় দরপত্রসংক্রান্ত নথিপত্র জমা ও সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
২০৩১ সালের এশিয়ান কাপ আয়োজনের দৌড়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তানের যৌথ মধ্য এশীয় প্রস্তাব। যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাত, যারা ২০১৯ সালের এশিয়ান কাপ আয়োজন করেছিল, প্রাথমিকভাবে ২০৩১ সালের প্রার্থী হলেও গত নভেম্বরে তারা এই দৌড় থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়।
এর আগে নিশ্চিত হয়েছে, ২০২৭ সালের এশিয়ান কাপ আয়োজন করবে সৌদি আরব। ফলে পরবর্তী দুই আসর (২০৩১ ও ২০৩৫) ঘিরে এশিয়ান ফুটবলের রাজনীতিতে ও কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
What's Your Reaction?