২১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি ৩০ শিক্ষার্থীকে
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় ৩০ শিক্ষক থাকার পরও পাস করাতে পারেননি ২১ শিক্ষার্থীকে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা যায়। জানা গেছে, দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩০ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, কেউই পাস করতে পারেনি। ২১ জন শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত মাদ্রাসাটিতে দাখিলের ফলাফল দাঁড়িয়েছে শতভাগ ফেল। ফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুস সামাদ বলেন, ‘আসলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেনি। আমরা চেষ্টা করেছি আগামী বছর থেকে ভালো ফলাফলের জন্য যা প্রয়োজন সবকিছুই করব। আমরা অভিভাবক সমাবেশ করলেও কেউ আসতে চাই না।’ তবে ২১ জন শিক্ষকের বিপরীতে ৩০ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরও একজন শিক্ষার্থীও পাস না করার এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সুপার বলেন, ‘এটা তো আসলে লজ্জার কথা। মাদ্রাসার এমপিও বা স্বীকৃতি বন্ধ হবে কি না জানতে চাইলে বলেন, দেখা যাক বোর্ড কি সিদ্ধান্ত নেই।’ দামুড়হুদা উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় ৩০ শিক্ষক থাকার পরও পাস করাতে পারেননি ২১ শিক্ষার্থীকে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা যায়।
জানা গেছে, দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩০ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, কেউই পাস করতে পারেনি। ২১ জন শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত মাদ্রাসাটিতে দাখিলের ফলাফল দাঁড়িয়েছে শতভাগ ফেল।
ফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুস সামাদ বলেন, ‘আসলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেনি। আমরা চেষ্টা করেছি আগামী বছর থেকে ভালো ফলাফলের জন্য যা প্রয়োজন সবকিছুই করব। আমরা অভিভাবক সমাবেশ করলেও কেউ আসতে চাই না।’
তবে ২১ জন শিক্ষকের বিপরীতে ৩০ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরও একজন শিক্ষার্থীও পাস না করার এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সুপার বলেন, ‘এটা তো আসলে লজ্জার কথা। মাদ্রাসার এমপিও বা স্বীকৃতি বন্ধ হবে কি না জানতে চাইলে বলেন, দেখা যাক বোর্ড কি সিদ্ধান্ত নেই।’
দামুড়হুদা উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার মো. রাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় একাধিক বার গিয়েছি এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে আলোচনা করেছি। কেন ফলাফল বিপর্যয় হলো তা খতিয়ে দেখা হবে।’
এদিকে দামুড়হুদা উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুইচিতলা-বড়বলদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে আটজন পাস করেছে, জগন্নাথপুর দাখিল মাদ্রাসায় ২৭ জনের মধ্যে ১৬ জন, দামুড়হুদা ডিএস দাখিল মাদ্রাসায় ৩১ জনের মধ্যে ২২ জন, কার্পাসডাঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৩২ জনের মধ্যে ১৮ জন, বাস্তপুর দাখিল মাদ্রাসায় ৩০ জনের মধ্যে ১৬ জন, দর্শনা ডিএস ফাজিল মাদ্রাসায় ৭৯ জনের মধ্যে ৩৭ জন পাস করছে।
অপরদিকে দামুড়হুদা গোপালপুর দাখিল মাদ্রাসা কেউ পাস করতে পারিনি। মোট ৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ ফেল করেছ। গোপলপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার তার নিজের নাম জিজ্ঞাসা করা হলে ও ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে মুঠোফন কেটে দেয়।
What's Your Reaction?