২১৯৯ শ্রমিক ও পরিবারের জন্য ১২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা অনুদান
দেশের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ২ হাজার ১৯৯ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য ১২ কোটি ৯৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন। একই সঙ্গে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬৮ কোটি ৫০ লাখ ১০ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের ৩৪তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সভায় মন্ত্রী বলেন, শ্রমিক সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত করা, দুর্যোগ-দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখা এবং উৎপাদন ব্যবস্থার চাকা সচল রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতের শ্রমজীবী মানুষ দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। আরও পড়ুন বেসরকারি খাতে কর্মঘণ্টা মালিক-শ্রমিকদের ওপর ছেড়ে দিলো সরকার তিনি বলেন, শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঘামের ওপর ভর করেই দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হচ্ছে। কোনো শ্রমজীবী মানুষ যেন বিপদে নিজেকে
দেশের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ২ হাজার ১৯৯ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য ১২ কোটি ৯৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন। একই সঙ্গে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬৮ কোটি ৫০ লাখ ১০ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের ৩৪তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সভায় মন্ত্রী বলেন, শ্রমিক সমাজের কল্যাণ নিশ্চিত করা, দুর্যোগ-দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখা এবং উৎপাদন ব্যবস্থার চাকা সচল রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উভয় খাতের শ্রমজীবী মানুষ দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঘামের ওপর ভর করেই দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হচ্ছে। কোনো শ্রমজীবী মানুষ যেন বিপদে নিজেকে নিঃসঙ্গ মনে না করেন, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন শ্রমিকদের অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারি কর্মকর্তা, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে একটি সুষম, কর্মবান্ধব ও শোষণমুক্ত শ্রমনীতি ও পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ তালুকদার, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ কুদ্দুছ আলী সরকার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএএস/এমএমকে
What's Your Reaction?
