২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুর পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন বিভাগ মে মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের মোট ১৭০ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। সোমবার (১১ মে) এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বাধিক ১০০ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এছাড়া ২৩ জন বাংলাদেশি, ১৮ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ১৩ জন ভারতীয়, ৯ জন থাই, তিনজন চীনা, দুইজন ফিলিপাইনের নাগরিক এবং একজন করে কোরীয় ও নাইজেরীয় নাগরিক রয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব বন্দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), রান্তাউ পাঞ্জাং কেলান্তান আইসিকিউএস কমপ্লেক্স, স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনাল এবং পাশির গুদাং ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন ডিপো কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের প্রত্যাবাসনের ব্যয় বিভিন্ন উৎস থেকে বহন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের দেওয়া বিমান টিকিট। তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো এসব বন্দি নির্যাতন আইন (অ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫

২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুর পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন বিভাগ মে মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের মোট ১৭০ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

সোমবার (১১ মে) এক বিবৃতিতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বাধিক ১০০ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এছাড়া ২৩ জন বাংলাদেশি, ১৮ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ১৩ জন ভারতীয়, ৯ জন থাই, তিনজন চীনা, দুইজন ফিলিপাইনের নাগরিক এবং একজন করে কোরীয় ও নাইজেরীয় নাগরিক রয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব বন্দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), রান্তাউ পাঞ্জাং কেলান্তান আইসিকিউএস কমপ্লেক্স, স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনাল এবং পাশির গুদাং ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

jagonews24

ইমিগ্রেশন ডিপো কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের প্রত্যাবাসনের ব্যয় বিভিন্ন উৎস থেকে বহন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের দেওয়া বিমান টিকিট।

তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো এসব বন্দি নির্যাতন আইন (অ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ সহ বিভিন্ন আইনের অধীনে সাজা ভোগ শেষে নিজ দেশে ফেরত গেছেন।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রত্যাবাসিত সব বন্দিকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow