২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ফের বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

মাত্র ২৩ ঘণ্টা সচল থাকার পর দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ৮টায় সচল হয়ে শনিবার (২ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করছিল কেন্দ্রটি। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ৬ দিন বন্ধ থাকার পর শুক্রবার রাতে প্রথম ইউনিট থেকে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। তিনি জানান, টিউব ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। বন্ধের আগে ১ নাম্বার ইউনিট যে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, একটি ইউনিট চালু হয় আবার বন্ধ হয় এবং তা থেকে মাঝে মাঝে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলে। অন্যান্য সমস্যাগুলি নির্মাণ কাল থেকেই। সুতরাং আমি এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না। কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানান, খুব দ্রুতই কোল ইয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা হবে। ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ উৎপাদিত কয়লা অন্যত্র সংরক্ষণের চিন্তা ভাবনা করছেন। সূত্র জানায়, পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে এই

২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ফের বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

মাত্র ২৩ ঘণ্টা সচল থাকার পর দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আবারও বন্ধ হয়ে গেছে।

শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ৮টায় সচল হয়ে শনিবার (২ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করছিল কেন্দ্রটি। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ৬ দিন বন্ধ থাকার পর শুক্রবার রাতে প্রথম ইউনিট থেকে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। তিনি জানান, টিউব ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। বন্ধের আগে ১ নাম্বার ইউনিট যে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, একটি ইউনিট চালু হয় আবার বন্ধ হয় এবং তা থেকে মাঝে মাঝে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলে। অন্যান্য সমস্যাগুলি নির্মাণ কাল থেকেই। সুতরাং আমি এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না।

কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানান, খুব দ্রুতই কোল ইয়ার্ড সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা হবে। ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ উৎপাদিত কয়লা অন্যত্র সংরক্ষণের চিন্তা ভাবনা করছেন।

সূত্র জানায়, পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে এই ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছিল। প্রথমে দুটি ১২৫ মেগাওয়াট ইউনিট দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছিল।

গত ২০১৭ সালে আরও একটি ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউনিট যুক্ত হয়। তবে যান্ত্রিক ক্রটির কারণে কেন্দ্রটি কখনো পূর্ণ সক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow