২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে দফায় দফায় হামলা
ইসরায়েলে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে অন্তত ১৯টি হামলা চালানো হয়েছে। লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এসব হামলা চালিয়েছে। রোববার (১৭ মে) প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা লেবাননের সীমান্তঘেঁষা দখলকৃত অঞ্চলে এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় ফ্রন্টে ইসরায়েলি অবস্থান, সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অবস্থান ও সামরিক সম্পদের বিরুদ্ধে ‘ভারী ও ধারাবাহিক সামরিক অভিযান’ চালানো হয়েছে। অভিযানে ড্রোন হামলা, ভারী কামান থেকে গোলাবর্ষণ এবং বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণের মতো কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, যোদ্ধারা বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন ও আক্রমণাত্মক কোয়াডকপ্টার ব্যবহার করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর লজিস্টিক সরঞ্জামের ওপর ‘নির্ভুল ও প্রাণঘাতী হামলা’ চালিয়েছে। ভোরে প্রকাশিত আরেকটি পৃথক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, যোদ্ধারা দক্ষিণ লেবাননের আল-বাইয়াদ পৌর এলাকায় অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি কমান্ড সদর দপ্তরে দুটি আক্রমণাত্মক ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননের রাশা
ইসরায়েলে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে অন্তত ১৯টি হামলা চালানো হয়েছে। লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এসব হামলা চালিয়েছে।
রোববার (১৭ মে) প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা লেবাননের সীমান্তঘেঁষা দখলকৃত অঞ্চলে এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় ফ্রন্টে ইসরায়েলি অবস্থান, সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অবস্থান ও সামরিক সম্পদের বিরুদ্ধে ‘ভারী ও ধারাবাহিক সামরিক অভিযান’ চালানো হয়েছে। অভিযানে ড্রোন হামলা, ভারী কামান থেকে গোলাবর্ষণ এবং বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণের মতো কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে।
গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, যোদ্ধারা বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন ও আক্রমণাত্মক কোয়াডকপ্টার ব্যবহার করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর লজিস্টিক সরঞ্জামের ওপর ‘নির্ভুল ও প্রাণঘাতী হামলা’ চালিয়েছে।
ভোরে প্রকাশিত আরেকটি পৃথক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, যোদ্ধারা দক্ষিণ লেবাননের আল-বাইয়াদ পৌর এলাকায় অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি কমান্ড সদর দপ্তরে দুটি আক্রমণাত্মক ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ লেবাননের রাশাফ এলাকা থেকে হাদাথার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর চতুর্থ একটি বুলডোজারের বিরুদ্ধে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও তাদের সামরিক অবস্থানের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা স্বীকার করেছে।
এদিকে ইসরায়েলও লেবাননে হামলা চালিয়েছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় আল-মারওয়ানিয়াহ, কাওথারিয়েহ আল-সাইয়্যাদ, কাকাআইয়েত এল-স্নোবার, দেইর কানুন রাস আল-আইন, ঘাসসানিয়াহ, বাইসারিয়াহ ও তেফাহতাসহ কয়েকটি এলাকা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, আবাসিক এলাকাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সাইদা ও নাবাতিয়েহ জেলার নয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে অন্তত এক হাজার মিটার দূরে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে। তারা ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ‘কঠোর পদক্ষেপ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
What's Your Reaction?