২৫ বছর পর প্রিমিয়ার লিগে ফিরলো কভেন্ট্রি সিটি

সেই ২০০০-০১ সালে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন হয় কভেন্ট্রি সিটির। তবে এবার সেই দীর্ঘ ২৫ বছরের অচলাবস্থা ভেঙেছে। ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের বিপক্ষে ১-১ ড্র করে চ্যাম্পিয়নশিপে শীর্ষ দুইয়ে অবস্থান নিশ্চিত করে, আর তাতেই তিন ম্যাচ হাতে রেখেই সরাসরি প্রমোশন নিশ্চিত হয়। প্রিমিয়ার লিগে ফিরে কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড বলেছেন, ২৫ বছর পর ক্লাবটির প্রিমিয়ার লিগে ফিরে আসা একটি ‘অনন্য’ অর্জন। স্কাই স্পোর্টসকে ল্যাম্পার্ড বলেন, ‘নন-প্যারাশুট পেমেন্ট ক্লাব হিসেবে তিন ম্যাচ বাকি থাকতে সরাসরি প্রমোশন পাওয়া… এই ছেলেরা সত্যিই বিশেষ এবং অনন্য কিছু অর্জন করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটাই ফুটবলের আসল সৌন্দর্য। এই পর্যায়ে এসে এখানে এসে একটি পয়েন্ট নেওয়াও সহজ নয়।’ ২৫ বছরের অপেক্ষার প্রসঙ্গে ল্যাম্পার্ড বলেন, ‘এত বছর পর এটা অর্জন করা সত্যিই অসাধারণ অনুভূতি।’ ১৯৯২-৯৩ সালে প্রিমিয়ার লিগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কভেন্ট্রি সিটি। কিন্তু ২০০০-০১ মৌসুমের পর এর প্রিমিয়ার লিগে ফিরতে না পারা ক্লাবটিকে ২৫ বছর পর লিগে ফেরালেন কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। নিশ্চিতভাবেই এটি তার কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন এখা

২৫ বছর পর প্রিমিয়ার লিগে ফিরলো কভেন্ট্রি সিটি

সেই ২০০০-০১ সালে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন হয় কভেন্ট্রি সিটির। তবে এবার সেই দীর্ঘ ২৫ বছরের অচলাবস্থা ভেঙেছে। ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের বিপক্ষে ১-১ ড্র করে চ্যাম্পিয়নশিপে শীর্ষ দুইয়ে অবস্থান নিশ্চিত করে, আর তাতেই তিন ম্যাচ হাতে রেখেই সরাসরি প্রমোশন নিশ্চিত হয়।

প্রিমিয়ার লিগে ফিরে কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড বলেছেন, ২৫ বছর পর ক্লাবটির প্রিমিয়ার লিগে ফিরে আসা একটি ‘অনন্য’ অর্জন।

স্কাই স্পোর্টসকে ল্যাম্পার্ড বলেন, ‘নন-প্যারাশুট পেমেন্ট ক্লাব হিসেবে তিন ম্যাচ বাকি থাকতে সরাসরি প্রমোশন পাওয়া… এই ছেলেরা সত্যিই বিশেষ এবং অনন্য কিছু অর্জন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটাই ফুটবলের আসল সৌন্দর্য। এই পর্যায়ে এসে এখানে এসে একটি পয়েন্ট নেওয়াও সহজ নয়।’

২৫ বছরের অপেক্ষার প্রসঙ্গে ল্যাম্পার্ড বলেন, ‘এত বছর পর এটা অর্জন করা সত্যিই অসাধারণ অনুভূতি।’

১৯৯২-৯৩ সালে প্রিমিয়ার লিগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কভেন্ট্রি সিটি। কিন্তু ২০০০-০১ মৌসুমের পর এর প্রিমিয়ার লিগে ফিরতে না পারা ক্লাবটিকে ২৫ বছর পর লিগে ফেরালেন কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। নিশ্চিতভাবেই এটি তার কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন এখানে এসেছিলাম, এক ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম। এখন এই ক্লাবের সঙ্গে আমরা গভীরভাবে জড়িয়ে গেছি। আমি এই ক্লাবকে ভালোবেসে ফেলেছি।’

সবশেষ তিনি নিজের কোচিং স্টাফদের নিয়েও গর্ব প্রকাশ করেন। এই ক্লাবের ম্যানেজার হতে পেতে নিজেও গর্বিত হন।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow