২৫ বছর পর হুইলচেয়ারে দেশে ফিরেছেন ফরিদ, খুঁজছেন পরিবার
প্রায় ২৫ বছর পর তুরস্ক থেকে দেশে ফিরেছেন মোহাম্মদ ফরিদ (৩৫) নামের এক বাংলাদেশি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর আশকোনায় ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে রয়েছেন। পরিবার ও স্বজনদের খুঁজছেন তিনি। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের প্রধান এবং সহযোগী পরিচালক শরিফুল ইসলাম হাসান মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে হুইলচেয়ারে করে তুরস্ক থেকে দেশে ফেরেন ফরিদ। প্রাথমিকভাবে তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ২৫ বছর আগে, যখন তার বয়স আনুমানিক ১০ বছর, তখন বাবা মো. আয়ুব আলীর সঙ্গে জাহাজে করে পাকিস্তানে যান তিনি। পরে দালালরা তাকে সড়কপথে তুরস্কে নিয়ে যায়। তুরস্কে অবস্থানকালে একটি মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় ফরিদের দুই পা কেটে যায়। দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরলেও বর্তমানে তিনি ভালোভাবে বাংলায় কথা বলতে পারছেন না। নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম ও কয়েকটি তথ্য দিতে পেরেছেন তিনি। ফরিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার পুরো নাম মোহাম্মদ ফরিদ। বাবার নাম মো. আয়ুব আলী এবং মায়ের নাম নূরজাহান। তার বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউ
প্রায় ২৫ বছর পর তুরস্ক থেকে দেশে ফিরেছেন মোহাম্মদ ফরিদ (৩৫) নামের এক বাংলাদেশি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর আশকোনায় ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে রয়েছেন। পরিবার ও স্বজনদের খুঁজছেন তিনি।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের প্রধান এবং সহযোগী পরিচালক শরিফুল ইসলাম হাসান মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে হুইলচেয়ারে করে তুরস্ক থেকে দেশে ফেরেন ফরিদ। প্রাথমিকভাবে তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ২৫ বছর আগে, যখন তার বয়স আনুমানিক ১০ বছর, তখন বাবা মো. আয়ুব আলীর সঙ্গে জাহাজে করে পাকিস্তানে যান তিনি। পরে দালালরা তাকে সড়কপথে তুরস্কে নিয়ে যায়।
তুরস্কে অবস্থানকালে একটি মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় ফরিদের দুই পা কেটে যায়। দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরলেও বর্তমানে তিনি ভালোভাবে বাংলায় কথা বলতে পারছেন না। নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম ও কয়েকটি তথ্য দিতে পেরেছেন তিনি।
ফরিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার পুরো নাম মোহাম্মদ ফরিদ। বাবার নাম মো. আয়ুব আলী এবং মায়ের নাম নূরজাহান। তার বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা বাজার এলাকায়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ফরিদকে ব্র্যাকের আশকোনার মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে সেখানেই তার থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন, ফরিদের পরিবার বা স্বজনদের খুঁজছে ব্র্যাক। হয়তো ২৫ বছর ধরে তার কোনো স্বজন তার অপেক্ষায় আছেন। আবার তারা হয়তো জানেনই না, তাদের প্রিয় মানুষটি এত বছর পর দেশে ফিরে এসেছেন।
ফরিদের পরিবার বা স্বজনদের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা থাকলে ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা রায়হান কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যোগাযোগ: রায়হান কবির, লিয়াজোঁ কর্মকর্তা, ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার ০১৯৬৪৯৬৪২৯২।
এমএমএআর
What's Your Reaction?