২৫শ লিটার ডিজেল জব্দ

বগুড়ার শেরপুরে ডিজেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল জব্দ করে তা কৃষকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের রানীরহাট বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মেসার্স বিমল ট্রেডার্সের মালিক স্বপন চন্দ্র মণ্ডলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান। স্থানীয় প্রশাসন ও সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরক লাইসেন্স অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ ৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের অনুমতি থাকলেও মালিক স্বপন চন্দ্র মণ্ডল প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে কিছু অংশ বিক্রি করা হলেও অবশিষ্ট প্রায় ২ হাজার ৫০০ লিটার গোপনে মজুত রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ওই ডিজেল জব্দ করে কৃষকদের মাঝে

২৫শ লিটার ডিজেল জব্দ

বগুড়ার শেরপুরে ডিজেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ২ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল জব্দ করে তা কৃষকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের রানীরহাট বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মেসার্স বিমল ট্রেডার্সের মালিক স্বপন চন্দ্র মণ্ডলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান।

স্থানীয় প্রশাসন ও সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরক লাইসেন্স অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ ৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুতের অনুমতি থাকলেও মালিক স্বপন চন্দ্র মণ্ডল প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে কিছু অংশ বিক্রি করা হলেও অবশিষ্ট প্রায় ২ হাজার ৫০০ লিটার গোপনে মজুত রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল।

পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ওই ডিজেল জব্দ করে কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে।

স্থানীয় কৃষক আরব আলী বলেন, তেলের অভাবে আমরা জমিতে সেচ দিতে পারছিলাম না। অথচ দোকানে তেল মজুত রেখে আমাদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছিল। প্রশাসনের অভিযানে আমরা ন্যায্যমূল্যে তেল পেয়েছি।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে পেট্রোলিয়াম আইনের আওতায় ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত ডিজেল স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow