৩ কারণে ফের আফজাল নাছেরের রিমান্ড চাইলো পুলিশ

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক, ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আফজাল নাছের ভূঁইয়ার পুনরায় পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর আদালতে হাজির করে নতুন করে এই আবেদন করা হয়। ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই নিহতের স্ত্রী মোছা. লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আফজাল নাছেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানায়, এর আগে আদালতের আদেশে তিন দিন

৩ কারণে ফের আফজাল নাছেরের রিমান্ড চাইলো পুলিশ

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক, ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আফজাল নাছের ভূঁইয়ার পুনরায় পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর আদালতে হাজির করে নতুন করে এই আবেদন করা হয়।

ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই নিহতের স্ত্রী মোছা. লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আফজাল নাছেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, এর আগে আদালতের আদেশে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মামলার বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেলেও তা আংশিক ও অসম্পূর্ণ। তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, আসামি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রেখে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু তথ্য দিচ্ছেন, যার ফলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই এবং তদন্তের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পুনরায় রিমান্ড প্রয়োজন।

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, মামলার মূল রহস্য এখনো পুরোপুরি উদঘাটিত হয়নি। হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনা, নেপথ্যের নির্দেশদাতা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আরও জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি। একই সঙ্গে হত্যার সময় কার কী ভূমিকা ছিল এবং প্রকৃতপক্ষে কারা সরাসরি জড়িত, এসব বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেতেও আসামিকে পুনরায় রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বলেন, মামলার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের স্বার্থেই এই রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আদালত এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশ দেবেন।

এমডিএএ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow