৩ দিন পর আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কৃষিবিদের মরদেহ উদ্ধার
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম নামের এক কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার সূর্যনগর বাজার এলাকার হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের আন্ডারপাস থেকে দত্তপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম আন্তর্জাতিক গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পটুয়াখালী জেলার মহিপুর ইউনিয়নের সেরাজপুর গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। জানা গেছে, তিনি গত ২১ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ঢাকার গুলশান ব্রাঞ্চে পে-অর্ডার জমা দেওয়ার পর নিখোঁজ হন। তার ব্যবহৃত মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়। নিখোঁজ হওয়ার পর তার শ্বশুর আবু সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। স্থানীয়রা মরদেহটি প্রথমে হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের আন্ডারপাসে দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। মাদারীপুর মর্গে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন। নিহতের শ্বশুর আবু সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “তিন দিন আগে ন
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম নামের এক কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার সূর্যনগর বাজার এলাকার হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের আন্ডারপাস থেকে দত্তপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম আন্তর্জাতিক গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পটুয়াখালী জেলার মহিপুর ইউনিয়নের সেরাজপুর গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে।
জানা গেছে, তিনি গত ২১ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ঢাকার গুলশান ব্রাঞ্চে পে-অর্ডার জমা দেওয়ার পর নিখোঁজ হন। তার ব্যবহৃত মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়। নিখোঁজ হওয়ার পর তার শ্বশুর আবু সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়রা মরদেহটি প্রথমে হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের আন্ডারপাসে দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। মাদারীপুর মর্গে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের শ্বশুর আবু সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “তিন দিন আগে নিখোঁজ হওয়ার পর আমি জিডি করি। হাত-পা বাঁধা মরদেহ পাওয়ার খবর পেয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছি। যারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি জানাই।”
শিবচর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেছেন। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত করছে।”
What's Your Reaction?