৩০ শিক্ষকের ১৭ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুর মেছবাহুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসায় এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অথচ প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক রয়েছেন ৩০ ও ৭ কর্মচারী।
এমন ফলাফলে মাদ্রাসাটির শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম ও সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, পড়াশোনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে যথাযথ নজরদারি থাকলে এমন ফলাফল হওয়ার কথা নয়। বিশেষ করে ৩০ জন শিক্ষক থাকার পরও ১৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, পর্যাপ্তসংখ্যক শিক্ষক, কর্মচারী থাকার পরও কেন শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফল হলো? পাঠদানে কোনো ঘাটতি ছিল কি না, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবেশ কেমন ছিল এসব বিষয় নিয়ে কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তারা আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়; এর সঙ্গে শিক্ষক, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক কার্যক্রমও
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুর মেছবাহুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসায় এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অথচ প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক রয়েছেন ৩০ ও ৭ কর্মচারী।
এমন ফলাফলে মাদ্রাসাটির শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম ও সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, পড়াশোনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে যথাযথ নজরদারি থাকলে এমন ফলাফল হওয়ার কথা নয়। বিশেষ করে ৩০ জন শিক্ষক থাকার পরও ১৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, পর্যাপ্তসংখ্যক শিক্ষক, কর্মচারী থাকার পরও কেন শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফল হলো? পাঠদানে কোনো ঘাটতি ছিল কি না, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবেশ কেমন ছিল এসব বিষয় নিয়ে কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তারা আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা নয়; এর সঙ্গে শিক্ষক, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক কার্যক্রমও জড়িত। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সাহেব আলী বলেন, ‘আমি এই প্রতিষ্ঠানে মাত্র দুই বছর আগে জয়েন করেছি। মাদ্রাসার শিক্ষকদের পড়াশোনা প্রদানে কোন গাফিলতি আছে কী না আমরা তা খতিয়ে দেখছি।’
কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনছুর রহমান দৈনিক কালবেলাকে বলেন, ‘ওই মাদ্রাসাতে এতগুলো শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও মাত্র ১৭ জন পরীক্ষার্থীর একজন ও কেন, কী কারণে উত্তীর্ণ হতে পারেনি সে বিষয়ে আমরা ডিসি অফিসে মিটিং করবো। মিটিংএ কী সিদ্ধান্ত হয় তা পরে জানানো হবে।’