৩০০ টাকার বাস ভাড়া এক হাজার, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

সাভারের আশুলিয়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায়ের অভিযোগে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক শ্রমিক ও ঘরমুখো যাত্রীরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় এ অবরোধ শুরু হয়। চলে সকাল ৯টা পর্যন্ত। এতে যান চলাচলে তীব্র ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাত্রীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে তুলে দেন। অবরোধকারীরা জানান, সোমবার ছিল পোশাক কারখানার শেষ কর্মদিবস। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য শ্রমিকরা কাজ শেষ করে নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। এই সুযোগে বাসচালক ও হেলপাররা যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ও তারও বেশি ভাড়া আদায় করছেন। অবিলম্বে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করে ন্যায্য ভাড়া কার্যকরের দাবি জানান তারা। যাত্রী জহির আহমেদ বলেন, ১৭ বছর পর নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। আমি জামালপুরে যাবো। যেখানে আগে ভাড়া ছিল ৩০০ টাকা, সেখানে এখন ১ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এ ভাড়া দেওয়া অসম্ভব। সরকারের উচিত দ্রুত বিষয়টি নজরে আনা। পোশাক শ্রমিক আবুল

৩০০ টাকার বাস ভাড়া এক হাজার, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

সাভারের আশুলিয়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায়ের অভিযোগে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক শ্রমিক ও ঘরমুখো যাত্রীরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় এ অবরোধ শুরু হয়। চলে সকাল ৯টা পর্যন্ত। এতে যান চলাচলে তীব্র ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাত্রীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে তুলে দেন।

অবরোধকারীরা জানান, সোমবার ছিল পোশাক কারখানার শেষ কর্মদিবস। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য শ্রমিকরা কাজ শেষ করে নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। এই সুযোগে বাসচালক ও হেলপাররা যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ও তারও বেশি ভাড়া আদায় করছেন। অবিলম্বে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করে ন্যায্য ভাড়া কার্যকরের দাবি জানান তারা।

যাত্রী জহির আহমেদ বলেন, ১৭ বছর পর নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। আমি জামালপুরে যাবো। যেখানে আগে ভাড়া ছিল ৩০০ টাকা, সেখানে এখন ১ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এ ভাড়া দেওয়া অসম্ভব। সরকারের উচিত দ্রুত বিষয়টি নজরে আনা।

পোশাক শ্রমিক আবুল কালাম সোহাগ বলেন, কারখানা ছুটি হওয়ার পর আমরা ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি ফিরছি। কিন্তু বাসচালক ও হেলপাররা ডাবল ভাড়া চাচ্ছে। রাজশাহীতে যেতে আগে ৫০০ টাকা লাগতো, এখন ১ হাজার টাকারও বেশি চাওয়া হচ্ছে। একজন শ্রমিক অতিরিক্ত এই টাকা কোথা থেকে দেবে? এতে ভোটারদের বাড়ি ফেরা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শেখ শাহজাহান বলেন, সড়কে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় অনেক মানুষ অবস্থান নিয়েছে। তবে অবরোধের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

মাহফুজুর রহমান নিপু/এফএ/এমএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow