৩৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা খেলাফত মজলিসের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৫ দফা দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেছে খেলাফত মজলিস। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, অধ্যাপক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, আমির আলী হাওলাদার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ফয়েজ বক্স শহীদ, কাজী আরিফুর রহমান, মাওলানা সরদার নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ। খেলাফত মজলিসের ৩৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ করেন যুগ্ম মহাসচিব ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল। সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ চলমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ১২ তারিখ ভোটদানের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৫ দফা দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেছে খেলাফত মজলিস।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, অধ্যাপক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, আমির আলী হাওলাদার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ফয়েজ বক্স শহীদ, কাজী আরিফুর রহমান, মাওলানা সরদার নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ।
খেলাফত মজলিসের ৩৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ করেন যুগ্ম মহাসচিব ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল।
সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ চলমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ১২ তারিখ ভোটদানের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। কালো টাকা ও পেশীশক্তির দৌরাত্ম্য বাড়ছে। কিছু ক্ষেত্রে নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিঘ্নিত হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিগত কয়েক দিনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কর্তৃক খেলাফত মজলিস ও ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। প্রার্থীর এজেন্ট ও নির্বাচনী কর্মীদের মোবাইল ফোনে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে পরাজিত ফ্যাসিস্ট অপশক্তি নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এসব ব্যাপারে আমরা নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যত্যয় যেই ঘটাবে জনগণ সেই অপশক্তিকে রুখে দিবে, ইনশাআল্লাহ।
What's Your Reaction?