৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে ভোট গ্রহণের সম্ভাবনা, প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এর একটি সংগ্রহ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। অপরটি সংগ্রহ করেন সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হচ্ছেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। রোববার বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে যদি প্রত্যাহার না করেন তবে ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে আরও একটা ভোটগ্রহণ দেখতে যাচ্ছে দেশবাসী। আরও পড়ুন ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, দ্রুত তফসিল দেবে ইসি নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনেই একমাত্র ভোটাভুটি হয়েছিল। বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের প্র
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এর একটি সংগ্রহ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। অপরটি সংগ্রহ করেন সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হচ্ছেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। রোববার বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে যদি প্রত্যাহার না করেন তবে ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে আরও একটা ভোটগ্রহণ দেখতে যাচ্ছে দেশবাসী।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনেই একমাত্র ভোটাভুটি হয়েছিল। বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। এরপর প্রতিটি নির্বাচনে একজন বৈধ প্রার্থী থাকায় আর ভোটের প্রয়োজন হয়নি। এবার যেহেতু বিএনপির পাশাপাশি জামায়াত জোটও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র তুলছে সুতরাং ফের ভোটাভুটি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া পূর্বে অভিশংসনের মাধ্যমে পদচ্যুত না হওয়ার শর্তসহ মনোনয়নের জন্য সংসদ সদস্যের প্রস্তাব ও সমর্থন প্রয়োজন হয়। জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মতো সব ধরনের যোগ্যতা থাকতে হবে।
ইচ্ছা করলেই যে কেউ রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে পারেন না। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী কে হবেন, তা ঠিক করেন সংসদ সদস্য তথা রাজনৈতিক দল। প্রার্থীকে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। সব যোগ্যতা থাকার পর সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। প্রার্থীর জয়-পরাজয় নির্ভর করে সংসদে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর। প্রার্থীকে বর্তমান সংসদ সদস্য হতে হবে না। তবে তার মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট। ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আলোচনা করে ভোটের এ সময়সূচি নির্ধারণ করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন হচ্ছেন ‘নির্বাচনি কর্তা’। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমার দিনই জানা যাবে কে রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন এবার। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই হবে। বৈধ প্রার্থী একজন হলে ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় বিকেল ৪টা পার হলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় এখন তিন নাম
ক্ষমতাসীন দল বিএনপি হওয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সমর্থিত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন; এখন শুধু আইন মেনে আনুষ্ঠানিকতা বাকি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার হচ্ছেন সংসদ সদস্যরাই। সেক্ষেত্রে একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটের ব্যবস্থা হবে। ত্রয়োদশ সংসদের সবশেষ অধিবেশন শেষ হয়েছে ১৫ জুলাই। সেক্ষেত্রে এ ৬০ দিনের মধ্যে (১৫ অক্টোবরের মধ্যে) পরবর্তী অধিবেশন হবে।
তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘বিশেষ অধিবেশন’ হতে পারে এমন আভাস দিয়েছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সাংবিধানিকভাবে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দায়িত্ব পালন করছেন। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বা ভোটাভুটির দরকার হলে ২০ আগস্টের মধ্যে নতুন অধিবেশনের দরকার নেই বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সেশন যে করতেই হবে এটার বাধ্যবাধকতা নেই। সংসদ সদস্যদের আহ্বান জানিয়ে তফসিলে কোথায় ভোট হবে তাও বলা হয়েছে। কাজেই এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার জন্য সংসদ অধিবেশন হতেই হবে এরকম কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু যদি রাষ্ট্রপতি সেশন ডাকে অসুবিধা নেই।
এবার বিশেষ অধিবেশনের চিন্তা
গত বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার পর চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করা হতে পারে। তিনি বলেছেন, ওই নির্বাচনের ঠিক দুই-একদিন আগে অধিবেশন আহ্বান করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। তবে এই অধিবেশনটি কি নিয়মিত কার্যক্রমের দিকে যাবে, নাকি নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর পরই মূলতবি ঘোষণা করা হবে—সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ভোটারদের (সংসদ সদস্যদের) আহ্বান জানিয়েই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় বলা হয়েছে, ২০ আগস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে ভোট হবে।
এ প্রসঙ্গ তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা তফসিলের প্রজ্ঞাপনে সংসদ সদস্য, ভোটারদের আহ্বান করেছি, এত তারিখে নমিনেশন পেপার দিতে হবে, এত তারিখে বাছাই হবে, এত তারিখের মধ্যে প্রত্যাহার হবে, এত তারিখে ভোট হবে। ভোটটা কোথায় হবে লিখে দিয়েছি সংসদ কক্ষ বা অধিবেশন কক্ষ।
তিনি জানান, অধিবেশন কক্ষে ভোটের জন্য অধিবেশন ডাকার আইনে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সরকার যদি ডাকে তাতেও কোনো অসুবিধা নেই।
ভোট এলেই তাদের আগ্রহ দেখা যায়, যোগ্যতা-অযোগ্যতা কি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এলেই দলীয় প্রার্থীর বাইরে আশির দশকে ছক্কা ছয়ফুর, কৃষক সাদেকের মতো অনেকে লড়েছিলেন ভোটে। সামরিক শাসন আমল ও রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতেন রাষ্ট্রপতি।
১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ছিলেন ১০ জন, ১৯৮১ সালে প্রার্থী ছিলেন ৩২ জন আর ১৯৮৬ সালে প্রার্থী ছিলেন ১২ জন।
সংসদ বিষয়ক গবেষক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরাসরি জনগণ ভোট দিয়েছিল। একসময় ছয়ফুর, কৃষক সাদেক এরাও প্রার্থী হয়ে আলোচনায় ছিলেন। কিন্তু ১৯৯১ সালে আইনের পর আর দলের বাইরে প্রার্থী হতে পারেননি কেউ। প্রস্তাবক-সমর্থক পাবে কোথায়, সংসদ সদস্য তো লাগবে নিজের পক্ষে।
গেল আটবার সংসদ সদস্যদের পরোক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাতবারই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ক্ষমতাসীন দল মনোনীত একক প্রার্থী। এরমধ্যে ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় ভোটাভুটি হয়।
১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনে মনোনয়নপত্রে রাষ্ট্রপতি হতে প্রস্তাবক-সমর্থক হিসেবে সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষরের প্রয়োজন হওয়ায় আর ঘেঁষতে পারেননি অতি উৎসাহী প্রার্থীরা।
এর আগে প্রথম সংসদ নির্বাচনের পর ১৯৭৪ সালে সংসদ সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেন।
১৯৭২ সালের সংবিধানের দ্বিতীয় তফশিল অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান ছিল।
১৯৭৪ সালের ২৪ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সংসদীয় পদ্ধতির রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ মোহাম্মদউল্লাহ কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা ভোটে দেশের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, প্রার্থী হতে হলে সংসদ সদস্য হতে হবে এমন নয়; সংবিধান ও আইন-বিধি অনুযায়ী যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারণ করা রয়েছে কারা প্রার্থী হতে পারবেন। সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হতে ওই আসন শূন্য হবে।
১৯৯১ সালের আইন অনুযায়ী, নির্বাচনি কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র যাচাই করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং যাচাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবে। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে কমিশন।
রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থীকে অন্তত ৩৫ বছর বয়সী এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হতে হবে। সংবিধানের অধীনে অভিশংসনের মাধ্যমে আগে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকলে তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।
প্রার্থীকে বর্তমান সংসদ সদস্য হতে হবে না। সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। তবে তার মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হবে।
কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে কার্যভার গ্রহণের দিন তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে।
বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর একজন বৈধ প্রার্থী থাকলে তাকে ভোট ছাড়াই নির্বাচিত ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। একাধিক প্রার্থী থাকলে সংসদ সদস্যদের ভোট নেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গোপন নয়, প্রকাশ্য। প্রত্যেক সংসদ সদস্যের একটি ভোট থাকে। ভোটার ব্যালটের কাউন্টার ফয়েলে স্বাক্ষর করে সেটি সংগ্রহ করেন। এরপর যাকে ভোট দেবেন, তার নামের পাশে নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করেন।
সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া প্রার্থী নির্বাচিত হন। দুই বা ততোধিক প্রার্থী সমান ভোট পেলে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণের বিধান রয়েছে।
এমওএস/এমএমকে
What's Your Reaction?


