৪ দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই পঞ্চগড়ে, তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি

হিমালয়ের পাদদেশের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। টানা চারদিন ধরে এই জনপদে সূর্যের দেখা মেলেনি। দিনের বেলাতেও চারপাশ ঢাকা থাকছে ঘন কুয়াশায়। জেলাজুড়ে বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা মঙ্গলবার ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি। তবে দিনের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৭ ডিগ্রি। জানা যায়, টানা চারদিন ধরেই দিনভর মেঘাচ্ছন্ন থাকছে আকাশ। দিনে হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমশীতল বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। রাতেও বৃষ্টির মত টিপটিপ করে কুয়াশা ঝরছে। বুধবারও সকাল ১১টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। দিনের আলোতেও সড়ক মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। শহরের থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষজন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয় খেটে খাওয়ার মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে দৈনন্দিন আয় কমে গেছে রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক চালকদের। পঞ্চগড়ের ডাঙ্গা এলাকার ইজিবাইক চালক ফয়জুল ইসলাম বলেন, শীতের সময় এমনিতেই আমাদের ভাড়া কম হয়। কয়েকদিন ধরেই দিনরাত ঘনকুয়াশা।

৪ দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই পঞ্চগড়ে, তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি

হিমালয়ের পাদদেশের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। টানা চারদিন ধরে এই জনপদে সূর্যের দেখা মেলেনি। দিনের বেলাতেও চারপাশ ঢাকা থাকছে ঘন কুয়াশায়। জেলাজুড়ে বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা মঙ্গলবার ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি। তবে দিনের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৭ ডিগ্রি।

জানা যায়, টানা চারদিন ধরেই দিনভর মেঘাচ্ছন্ন থাকছে আকাশ। দিনে হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমশীতল বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। রাতেও বৃষ্টির মত টিপটিপ করে কুয়াশা ঝরছে। বুধবারও সকাল ১১টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। দিনের আলোতেও সড়ক মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। শহরের থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষজন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয় খেটে খাওয়ার মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে দৈনন্দিন আয় কমে গেছে রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক চালকদের।

পঞ্চগড়ের ডাঙ্গা এলাকার ইজিবাইক চালক ফয়জুল ইসলাম বলেন, শীতের সময় এমনিতেই আমাদের ভাড়া কম হয়। কয়েকদিন ধরেই দিনরাত ঘনকুয়াশা। বিশেষ করে বাতাসের কারণে খুব ঠান্ডা। আমাদের প্রতিদিন আয় হতো ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত কিন্তু বর্তমানে ৩০০ টাকা ইনকাম করতেই দিন শেষ হয়ে যায়।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ এর মধ্যে থাকলে ওই এলাকা দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। বুধবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দুই-তিন দিন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সফিকুল আলম/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow