৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  রোববার (৮ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে ফুলবাড়ী বিসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালাম (৩৯) ও তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৩২)। তাদের স্থায়ী বাড়ি শাজাহানপুর উপজেলার খাদাশ ভোলাগাড়ি এলাকায় হলেও তারা শহরের ফুলবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাতে ফুলবাড়ী বিসিক শাহী মসজিদ সংলগ্ন একটি টিনশেড বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের শয়নকক্ষের ড্রয়ার তল্লাশি করে নীল রঙের ২০টি প্যাকেটে থাকা ৪ হাজার পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা জব্দ করা হয়। বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবার বাহার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী

৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

রোববার (৮ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে ফুলবাড়ী বিসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালাম (৩৯) ও তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৩২)। তাদের স্থায়ী বাড়ি শাজাহানপুর উপজেলার খাদাশ ভোলাগাড়ি এলাকায় হলেও তারা শহরের ফুলবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।


ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাতে ফুলবাড়ী বিসিক শাহী মসজিদ সংলগ্ন একটি টিনশেড বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের শয়নকক্ষের ড্রয়ার তল্লাশি করে নীল রঙের ২০টি প্যাকেটে থাকা ৪ হাজার পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা জব্দ করা হয়।

বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবার বাহার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে আসছেন। তারা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন এলাকায় পরিচয় গোপন করে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কালামের বিরুদ্ধে ঢাকা, টাঙ্গাইল ও বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow