৫ উইকেটে নিয়ে নোয়াখালীকে ১২৬ রানে থামালেন শরিফুল

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সূচনাটা হয়েছিল উড়ন্ত। কিন্তু শরিফুল ইসলামের ৯ রানে ৫ উইকেটে মাত্র ১২৬ রানে থেমেছে নোয়াখালীর ইনিংস। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) একদিন বিরতি দিয়ে বিপিএল মাঠে ফেরার দিনে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনায় ৩ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতে ৩৪ রান তোলে নোয়াখালী। কিন্তু সেই ধারা ধরে রাখাতে না পারার কারণে বড় স্কোর হয়নি হায়দার আলীর দলের। ৩৪ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ৪৯ রানে দুই উইকেট হারায় নোয়াখালী। ১৪ রান করে মাহেদির বলে আউট হন সৌম্য। হাসান ইশাখিল ২৫ রান করে শরিফুলের প্রথম শিকারে পরিণত হন। দলীয় ৭৮ রানে নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী মাহেদির বলে আউট হলে পতন হয় তৃতীয় উইকেটের। এরপর আরও ৩ উইকেট হারিয়ে ৯১ রানে পতন হয় মোট ৬ উইকেটের। ২৩ রান করে জাকের আলী শিকার হন আমের জামালের। ১ রান করে রান আউট হয় মুনিম শাহরিয়ার। ১১ রান করে ফেরেন হাবিবুর রহমান সোহান। পরের ৪ উইকেট ৩৫ রানে হারিয়ে ১২৬ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সবগুলো উইকেট তুলে নিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন শরিফুল ইসলাম। হাসান মাহমুদ (৪), মেহেদী হাসান রানা (০), সাব্বির হোসেন (২২

৫ উইকেটে নিয়ে নোয়াখালীকে ১২৬ রানে থামালেন শরিফুল

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সূচনাটা হয়েছিল উড়ন্ত। কিন্তু শরিফুল ইসলামের ৯ রানে ৫ উইকেটে মাত্র ১২৬ রানে থেমেছে নোয়াখালীর ইনিংস।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) একদিন বিরতি দিয়ে বিপিএল মাঠে ফেরার দিনে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনায় ৩ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতে ৩৪ রান তোলে নোয়াখালী।

কিন্তু সেই ধারা ধরে রাখাতে না পারার কারণে বড় স্কোর হয়নি হায়দার আলীর দলের। ৩৪ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ৪৯ রানে দুই উইকেট হারায় নোয়াখালী। ১৪ রান করে মাহেদির বলে আউট হন সৌম্য। হাসান ইশাখিল ২৫ রান করে শরিফুলের প্রথম শিকারে পরিণত হন।

দলীয় ৭৮ রানে নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী মাহেদির বলে আউট হলে পতন হয় তৃতীয় উইকেটের। এরপর আরও ৩ উইকেট হারিয়ে ৯১ রানে পতন হয় মোট ৬ উইকেটের।

২৩ রান করে জাকের আলী শিকার হন আমের জামালের। ১ রান করে রান আউট হয় মুনিম শাহরিয়ার। ১১ রান করে ফেরেন হাবিবুর রহমান সোহান।

পরের ৪ উইকেট ৩৫ রানে হারিয়ে ১২৬ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সবগুলো উইকেট তুলে নিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন শরিফুল ইসলাম। হাসান মাহমুদ (৪), মেহেদী হাসান রানা (০), সাব্বির হোসেন (২২) ও ইহসানউল্লাহ (০)। চারজনই শিকার হন শরিফুলের।

৩.৫ ওভার বোলিং করে মাত্র ৯ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেছেন শরিফুল। ৩টি উইকেট পেয়েছেন শেখ মাহেদি হাসান ও একটি আমের জামাল।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow