৫ বছর বয়স পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দিলেন ডা. শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে প্রত্যেক জেলার জন্য একটি করে মেডিকেল কলেজ এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেন, হাঁচি হলেই নেতারা বিদেশে যায়। জামায়াতের কোনো নেতাকর্মীরা নির্বাচিত হলে বিদেশে চিকিৎসা নেবেন না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে নাটোর নবাব সিরাজ উদ দৌলা সরকারি কলেজ মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, একটি দল বেকার যুবকদের অপমান করতে চায়। তারা তাদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিতে চায়। আমরা সরকার গঠন করলে যার যার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করব। দেশকে সাম্যের ভিত্তিতে গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, মেয়েদের যাচ্ছেতাই রাস্তাঘাটে অপদস্থ করা হচ্ছে। বাড়ির বাইরে তারা নিরাপদ নয়। ১১ দল সরকার গঠন করতে পারলে নারীরা নির্বিঘ্নে রাস্তায় চলাচল করতে পারবে। তাদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকালে তাদের প্রতিহত করা হবে।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ৬ তারিখের পর একটি দল চাঁদাবাজি, টেম্পো স্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখলে মেতে উঠেছে।
জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে প্রত্যেক জেলার জন্য একটি করে মেডিকেল কলেজ এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেন, হাঁচি হলেই নেতারা বিদেশে যায়। জামায়াতের কোনো নেতাকর্মীরা নির্বাচিত হলে বিদেশে চিকিৎসা নেবেন না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে নাটোর নবাব সিরাজ উদ দৌলা সরকারি কলেজ মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, একটি দল বেকার যুবকদের অপমান করতে চায়। তারা তাদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিতে চায়। আমরা সরকার গঠন করলে যার যার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করব। দেশকে সাম্যের ভিত্তিতে গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, মেয়েদের যাচ্ছেতাই রাস্তাঘাটে অপদস্থ করা হচ্ছে। বাড়ির বাইরে তারা নিরাপদ নয়। ১১ দল সরকার গঠন করতে পারলে নারীরা নির্বিঘ্নে রাস্তায় চলাচল করতে পারবে। তাদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকালে তাদের প্রতিহত করা হবে।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ৬ তারিখের পর একটি দল চাঁদাবাজি, টেম্পো স্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখলে মেতে উঠেছে। আগামী ১২ তারিখ নির্বাচনে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
শফিকুর রহমান বলেন, রক্তমূল্যে কেনা এ দেশ। জুলাই আন্দোলনে তাদের বিদায় নিতে হবে, এটি তারা ভাবেনি। দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী রাজনীতি করছে। শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে হলে ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিশুদের পাঁচ বছর পর্যন্ত এবং বৃদ্ধদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। বিদেশ নয়, দেশের মাটিতেই উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।
লুণ্ঠনের টাকা উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। লাল, কালো বা সাদা টেলিফোন বুঝি না, কোনো তদবির চলবে না এবং আইন সবার জন্য সমান হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশ গড়তে হলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না, চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। তিনি নাটোর-১, ২, ৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক এবং নাটোর ৩ আসনের প্রার্থীকে শাপলা কলি প্রতীক তুলে দেন।
এ সময় ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জাগপার সভাপতি রাশেদ প্রধানও বক্তব্য রাখেন।