৫ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

কক্সবাজার টেকনাফ নাফনদের মোহনা নাক্ষংদিয়া এলাকা থেকে পাঁচ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি। ‎মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১১টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফনদ ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে ট্রলারসহ তাদের ধরে নিয়ে যায়। তারা হলেন- টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত সৈয়দ আলমের ছেলে শাহ আলম (২০), মৃত নজু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন, মৃত মকবুল আহমেদের ছেলে মো. আব্বাস (৪০), আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল সাহেদ (১৮) এবং মৃত মো. হোসেনের ছেলে মো. ইউনুস (৪০)। শাহপরীর দ্বীপ বোট মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল গণি ‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ‎ট্রলার মালিক মো. আবুল হোসেন বলেন, সেন্টমার্টিনের কাছে মাছ ধরার পর তারা ট্রলারটি নোঙর করে নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় অবস্থান করছিল। হঠাৎ স্পিডবোটে করে এসে আরাকান আর্মি সদস্যরা ট্রলারসহ জেলেদের আটক করে নিয়ে যায়। ‎বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, নাফ নদ ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে অন্তত চার শতাধিক জেলে আরাকান আর্মির হাতে আটক রয়েছেন। প্রথম দফায় ৭৩ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও বাকিদের মুক্তির জন্য সীমান্ত ও কূটনৈতিক পর্যায়ে তৎপরত

৫ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

কক্সবাজার টেকনাফ নাফনদের মোহনা নাক্ষংদিয়া এলাকা থেকে পাঁচ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি।

‎মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১১টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফনদ ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে ট্রলারসহ তাদের ধরে নিয়ে যায়।

তারা হলেন- টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত সৈয়দ আলমের ছেলে শাহ আলম (২০), মৃত নজু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন, মৃত মকবুল আহমেদের ছেলে মো. আব্বাস (৪০), আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল সাহেদ (১৮) এবং মৃত মো. হোসেনের ছেলে মো. ইউনুস (৪০)।

শাহপরীর দ্বীপ বোট মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল গণি ‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎ট্রলার মালিক মো. আবুল হোসেন বলেন, সেন্টমার্টিনের কাছে মাছ ধরার পর তারা ট্রলারটি নোঙর করে নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় অবস্থান করছিল। হঠাৎ স্পিডবোটে করে এসে আরাকান আর্মি সদস্যরা ট্রলারসহ জেলেদের আটক করে নিয়ে যায়।

‎বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, নাফ নদ ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে অন্তত চার শতাধিক জেলে আরাকান আর্মির হাতে আটক রয়েছেন। প্রথম দফায় ৭৩ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও বাকিদের মুক্তির জন্য সীমান্ত ও কূটনৈতিক পর্যায়ে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

‎চট্টগ্রাম জোন কোস্ট গার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আকিব বলেন, বিষয়টি শুনেছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow