‘৫ মিনিটের তাণ্ডবে আমার পুরো বছরের পরিশ্রম শেষ’
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ৫ মিনিটের তীব্র শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে মাঠের পাকা ও আধাপাকা ফসল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায়। কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া এবং সঙ্গে তীব্র শিলাবৃষ্টি। স্থানীয়রা জানান, শিলার আকার ছিল বেশ বড়। যা মাত্র কয়েক মিনিটেই ফসলের ক্ষেত লণ্ডভণ্ড করে দেয়। এ সময় প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে উপজেলার তোড়িয়া, ধামোর ও মির্জাপুর ইউনিয়নের প্রায় সব এলাকার টিনের চাল ছিদ্র হয়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বোরো ধান, গম, ভুট্টা ও সবজির ক্ষেত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক কৃষক জানান, ফসল কাটার আগমুহূর্তে এমন দুর্যোগ তাদের জন্য বড় ধরনের লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ফইজুল বলেন, মাত্র ৫ মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে আমার পুরো বছরের পরিশ্রম শেষ হয়ে গেল। এখন কীভাবে সংসার চালাব তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আমার গম, মরিচ ও ভুট্টা খেত পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। মাটির সঙ্গে মিশে গেছে সব। এ ছাড়াও শিলাবৃষ্টির কারণে টিনের চাল ও কাঁচা ঘরের চালা ভেঙে গেছে। এ সময় অনেক জায়গা
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ৫ মিনিটের তীব্র শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে মাঠের পাকা ও আধাপাকা ফসল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায়। কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া এবং সঙ্গে তীব্র শিলাবৃষ্টি।
স্থানীয়রা জানান, শিলার আকার ছিল বেশ বড়। যা মাত্র কয়েক মিনিটেই ফসলের ক্ষেত লণ্ডভণ্ড করে দেয়। এ সময় প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে উপজেলার তোড়িয়া, ধামোর ও মির্জাপুর ইউনিয়নের প্রায় সব এলাকার টিনের চাল ছিদ্র হয়ে গেছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বোরো ধান, গম, ভুট্টা ও সবজির ক্ষেত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক কৃষক জানান, ফসল কাটার আগমুহূর্তে এমন দুর্যোগ তাদের জন্য বড় ধরনের লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ফইজুল বলেন, মাত্র ৫ মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে আমার পুরো বছরের পরিশ্রম শেষ হয়ে গেল। এখন কীভাবে সংসার চালাব তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আমার গম, মরিচ ও ভুট্টা খেত পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। মাটির সঙ্গে মিশে গেছে সব।
এ ছাড়াও শিলাবৃষ্টির কারণে টিনের চাল ও কাঁচা ঘরের চালা ভেঙে গেছে। এ সময় অনেক জায়গায় গাছপালা ভেঙে পড়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
আটোয়ারী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোস্তাক আহমেদ জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমাদের কৃষি উপসহকারীরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপামনি দেবী জানান, রাতেই কিছু কিছু এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
What's Your Reaction?