৫০ বছরেও কেন অবিবাহিতা সাইফ আলি খানের বোন? জানালেন নিজেই

বলিউড তারকা সাইফ আলি খান ও সোহা আলি খানের বোন সাবা পাতৌদী বরাবরই থেকেছেন আলোচনার আড়ালে। মা শর্মিলা ঠাকুর, ভাই সাইফ বা বোন সোহার মতো অভিনয়ে না এসে তিনি গড়ে তুলেছেন ভিন্ন এক পরিচয়। তবে ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে বিয়ে না করার কারণ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল বরাবরই ছিল। এবার সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন সাবা। সম্প্রতি অভিনেত্রী নেহা ধূপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক আলাপচারিতায় নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। সেখানেই জানান, জীবনে কখনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াননি তিনি। সাবা বলেন, ‘আমার কখনো কোনো প্রেমিক ছিল না। ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই আমার জন্য অনেক বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। এমনকি ১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের কথাও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আর হয়নি। কারণ তখন আমি মানসিকভাবে বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।’ তিনি জানান, এরপর বিয়ে নিয়ে তার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু নিজের মনের মতো একজন মানুষ আর খুঁজে পাননি। তার ভাষায়, ‘আমি এমন কাউকে পাইনি, যার সঙ্গে সত্যিই মানিয়ে নেওয়া যায়।’ আরও পড়ুন অভিনয়ের জন্য যা করতে দ্বিধা করেননি দীপিকা বাবা মনসুর আলি খান প

৫০ বছরেও কেন অবিবাহিতা সাইফ আলি খানের বোন? জানালেন নিজেই

বলিউড তারকা সাইফ আলি খান ও সোহা আলি খানের বোন সাবা পাতৌদী বরাবরই থেকেছেন আলোচনার আড়ালে। মা শর্মিলা ঠাকুর, ভাই সাইফ বা বোন সোহার মতো অভিনয়ে না এসে তিনি গড়ে তুলেছেন ভিন্ন এক পরিচয়। তবে ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে বিয়ে না করার কারণ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল বরাবরই ছিল। এবার সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন সাবা।

সম্প্রতি অভিনেত্রী নেহা ধূপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক আলাপচারিতায় নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। সেখানেই জানান, জীবনে কখনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াননি তিনি।

সাবা বলেন, ‘আমার কখনো কোনো প্রেমিক ছিল না। ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই আমার জন্য অনেক বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। এমনকি ১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের কথাও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আর হয়নি। কারণ তখন আমি মানসিকভাবে বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।’

তিনি জানান, এরপর বিয়ে নিয়ে তার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু নিজের মনের মতো একজন মানুষ আর খুঁজে পাননি। তার ভাষায়, ‘আমি এমন কাউকে পাইনি, যার সঙ্গে সত্যিই মানিয়ে নেওয়া যায়।’

বাবা মনসুর আলি খান পাতৌদীর প্রভাব কি জীবনসঙ্গী নির্বাচনে কাজ করেছে-এমন প্রশ্নের জবাবে সাবা বলেন, ‘আমি বাবার মতো কাউকে খুঁজছিলাম না। তবে বাবাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল একজন মানুষ। একই সঙ্গে তিনি আমাকে স্বাধীনভাবে বাঁচতে শিখিয়েছেন। তাই তার মতো কিছু গুণ হয়তো অজান্তেই খুঁজেছি।’

তিনি আরও জানান, অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর একটি বক্তব্য তার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। তাপসী বলেছিলেন, ‘আমার কোনো ছেলে নয়, একজন পরিণত মানুষের প্রয়োজন।’ সেই কথার সঙ্গে নিজের ভাবনার মিল খুঁজে পেয়েছিলেন সাবা। তবে বাস্তবে তেমন কাউকে আর খুঁজে পাননি বলেই আজও অবিবাহিত রয়ে গেছেন।

বর্তমানে ৫০ বছর বয়সী সাবা পাতৌদী অভিনয়জগৎ থেকে দূরে থাকলেও নিজস্ব পেশায় প্রতিষ্ঠিত। তিনি একজন গয়না ডিজাইনার। পাশাপাশি ‘ট্যারো রিডার’ ও ‘স্পিরিচুয়াল হিলার’ হিসেবেও পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিবারের বিভিন্ন মুহূর্ত ভাগ করে নিলেও ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই প্রচারের আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন তিনি।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow