৫০ বলেই জয় তুলে নিলো বাংলাদেশ
প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে মালয়েশিয়ার বোলারদের বিপক্ষে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের ব্যাটাররা। তবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেই দেখা গেল পুরো ভিন্ন চিত্র। ব্যাট হাতে রীতিমত ঝড় তুললেন জিসান আলম। তার বিধ্বংসী ইনিংসে মাত্র ৮.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ এইচপি। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০৬ রানের লক্ষ্য ৭ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। জিসানের ২১ বলে ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে পাওয়া এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ এইচপি। লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন জিসান। অন্য প্রান্তে জাওয়াদ আবরারও ছিলেন আগ্রাসী। তবে দ্বিতীয় ওভারেই থামতে হয় তাকে। আরিফউল্লাহর বলে ফেরার আগে ৮ বলে ২৩ রান করেন আবরার, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। ওই ওভারেই আরেকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম মাত্র ৩ বলে ৪ রান করে বোল্ড হন। ফলে দ্রুত দুটি উইকেট হারালেও তাতে জিসানের ব্যাটিংয়ে কোনো প্রভাব পড়েনি। এরপর সাব্বির রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন জিসান। দুজনের ৫০ রানের জুট
প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে মালয়েশিয়ার বোলারদের বিপক্ষে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের ব্যাটাররা। তবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেই দেখা গেল পুরো ভিন্ন চিত্র। ব্যাট হাতে রীতিমত ঝড় তুললেন জিসান আলম। তার বিধ্বংসী ইনিংসে মাত্র ৮.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ এইচপি।
মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০৬ রানের লক্ষ্য ৭ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। জিসানের ২১ বলে ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে পাওয়া এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ এইচপি।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন জিসান। অন্য প্রান্তে জাওয়াদ আবরারও ছিলেন আগ্রাসী। তবে দ্বিতীয় ওভারেই থামতে হয় তাকে। আরিফউল্লাহর বলে ফেরার আগে ৮ বলে ২৩ রান করেন আবরার, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা।
ওই ওভারেই আরেকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম মাত্র ৩ বলে ৪ রান করে বোল্ড হন। ফলে দ্রুত দুটি উইকেট হারালেও তাতে জিসানের ব্যাটিংয়ে কোনো প্রভাব পড়েনি।
এরপর সাব্বির রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন জিসান। দুজনের ৫০ রানের জুটিতে জয়ের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। ৮ বলে ১২ রান করে সাব্বির ফিরে গেলেও জিসানের ব্যাট থামেনি। পরে শামীম পাটোয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
মাত্র ১৮ বলেই ফিফটির দেখা পান জিসান। শেষ পর্যন্ত ৭ ছক্কার সাহায্যে ২১ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শামীম ৬ বলে ৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।
মালয়েশিয়ার বোলারদের মধ্যে আরিফউল্লাহ দুটি এবং প্রশান্ত মাধুকা একটি উইকেট নেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল মালয়েশিয়া। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা দলটির হয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ ও আহমেদ আকিল ওয়াহিদ। তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ৫৮ রান।
৩৩ বলে ৩০ রান করে রনির বলে আউট হন ওয়াহিদ। অধিনায়ক আজিজের ব্যাট থেকে আসে ৫২ বলে ৪০ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৫ রান সংগ্রহ করে মালয়েশিয়া।
বাংলাদেশ এইচপির হয়ে আবু হায়দার রনি দুটি উইকেট নেন। মোহাম্মদ রুবেল ও রাকিবুল ইসলাম একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এসকেডি/এমএমআর
What's Your Reaction?