৫৪ টাকা শতক সাড়ে ৫ বিঘা জমি কিনেছেন জামায়াতের প্রার্থী সামাদ

৯ হাজার ৭৫৪ টাকায় কিনেছেন সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি। যার প্রতি শতকের মূল্য মাত্র ৫৪ টাকা। এটি অবাক করার মতো বিষয় হলেও সত্য। এমন অস্বাভাবিক পানির দামে জমি কিনেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তিনি গত ২৯ ডিসেম্বর রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী (হলফনামা) জমা দিয়েছেন। তাতে স্থাবর সম্পত্তির ঘরে এই তথ্য দিয়েছেন মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ। তিনি তার শিক্ষাগত যোগ্যতা মাস্টার্স পাস ও পেশা হিসেবে ‘অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী’ উল্লেখ করেছেন। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, আব্দুস সামাদের মোট সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ২৭৮ টাকা। এরমধ্যে বার্ষিক আয় ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬২ টাকা। স্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৬৩ লাখ ৯৩ হাজার ৩৮২ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ৮৪ লাখ ৯২ হাজার ৩৩৪ টাকা। বার্ষিক আয়ের তথ্যে দেখা যায়, বছরে মোট ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬২ টাকা আয় করেন আব্দুস সামাদ। যার মধ্যে ৯ লাখ টাকা ব্যবসা, পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৩ টাকা বাড়ি

৫৪ টাকা শতক সাড়ে ৫ বিঘা জমি কিনেছেন জামায়াতের প্রার্থী সামাদ

৯ হাজার ৭৫৪ টাকায় কিনেছেন সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি। যার প্রতি শতকের মূল্য মাত্র ৫৪ টাকা। এটি অবাক করার মতো বিষয় হলেও সত্য। এমন অস্বাভাবিক পানির দামে জমি কিনেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তিনি গত ২৯ ডিসেম্বর রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী (হলফনামা) জমা দিয়েছেন। তাতে স্থাবর সম্পত্তির ঘরে এই তথ্য দিয়েছেন মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ। তিনি তার শিক্ষাগত যোগ্যতা মাস্টার্স পাস ও পেশা হিসেবে ‘অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী’ উল্লেখ করেছেন।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, আব্দুস সামাদের মোট সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ২৭৮ টাকা। এরমধ্যে বার্ষিক আয় ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬২ টাকা। স্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৬৩ লাখ ৯৩ হাজার ৩৮২ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ৮৪ লাখ ৯২ হাজার ৩৩৪ টাকা।

বার্ষিক আয়ের তথ্যে দেখা যায়, বছরে মোট ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬২ টাকা আয় করেন আব্দুস সামাদ। যার মধ্যে ৯ লাখ টাকা ব্যবসা, পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৩ টাকা বাড়িভাড়া, বন্ড ও শেয়ার থেকে আসে ১৭ হাজার ২৪৯ টাকা। ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্নে দুই কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৮৫ টাকার সম্পত্তি দেখানো হয়েছে। তার বার্ষিক আয় রয়েছে ৩৩ লাখ ৮৭ হাজার ১০ টাকা। এর বিপরীতে তিনি এক লাখ ৪২ হাজার ৯১২ টাকা আয়কর দিয়েছেন।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৬০ লাখ ৪১ হাজার ২২৮ টাকা মূল্যের একটি ছয়তলা ভবন, ৯ হাজার ৭৫৪ টাকা মূল্যের সাড়ে পাঁচ বিঘা (১৭৯.৮ শতক) কৃষি ও অকৃষি জমি এবং এক কোটি তিন লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের ৬৪ শতক কৃষি জমি।

আর অস্থাবর সম্পদ হিসেবে হাতে নগদ রয়েছে ২৮ লাখ ৯৯ হাজার ২০৪ টাকা, বন্ড ও কোম্পানির শেয়ার চার লাখ ৯৩ হাজার ১৩০ টাকা, মোটরযান ৩৭ লাখ টাকা, সাড়ে ১২ লাখ টাকা মূল্যের ৫০ ভরি সোনা ও দেড় লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।

আব্দুস সামাদের স্ত্রী ও সন্তানের নামে কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নেই। তার নামে একটি ফৌজদারি মামলা থাকলেও তা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।

এম এ মালেক/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow