৫৪ মিনিটেই সুইডেনের জালে এক হালি গোল নেদারল্যান্ডসের

প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ডাচরা। ম্যাচের ৫৪ মিনিট হতেই এগিয়ে গেছে ৪-০ গোলে। ব্রায়ান বব্বেই প্রথমার্ধে আর কোডি গাকপো দ্বিতীয়ার্ধে করেছেন ২ গোল করে। এরপর একটি গোল শোধ করেছে সুইডেন। ম্যাচের স্কোর এখন ৪-১। হিউস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে দুর্দান্ত এক দলগত আক্রমণ থেকে প্রথম গোলটি করেন ব্রব্বেই। এরপর মাত্র ১৭ মিনিটের মাথায় নিজের দ্বিতীয় গোলও তুলে নেন তিনি। ডান প্রান্ত থেকে ডেনজেল ড্রামফ্রিসের চমৎকার নিচু ক্রসে নিখুঁত ফিনিশ করে নেদারল্যান্ডসকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই ফরোয়ার্ড। তবে স্কোরলাইন যতটা একপেশে দেখাচ্ছে, ম্যাচের চিত্র ততটা নয়। হাইড্রেশন বিরতির পর থেকে খেলায় প্রভাব বিস্তার করেছে সুইডেন। শেষ অংশে সুইডেনই বেশি আক্রমণাত্মক ছিল। সুইডিশ তারকা ভিক্টর গিওকেরেস একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন। এছাড়া ইয়াসিন আয়ারিও কয়েকটি ভালো সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পাননি। প্রথমার্ধে অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত ছিল সুইডেনের ইসাক হিয়েন লগারবিকের হেড থেকে পাওয়া গোলটি বাতিল হওয়া।

৫৪ মিনিটেই সুইডেনের জালে এক হালি গোল নেদারল্যান্ডসের

প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ডাচরা। ম্যাচের ৫৪ মিনিট হতেই এগিয়ে গেছে ৪-০ গোলে। ব্রায়ান বব্বেই প্রথমার্ধে আর কোডি গাকপো দ্বিতীয়ার্ধে করেছেন ২ গোল করে। এরপর একটি গোল শোধ করেছে সুইডেন। ম্যাচের স্কোর এখন ৪-১।

হিউস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে দুর্দান্ত এক দলগত আক্রমণ থেকে প্রথম গোলটি করেন ব্রব্বেই। এরপর মাত্র ১৭ মিনিটের মাথায় নিজের দ্বিতীয় গোলও তুলে নেন তিনি। ডান প্রান্ত থেকে ডেনজেল ড্রামফ্রিসের চমৎকার নিচু ক্রসে নিখুঁত ফিনিশ করে নেদারল্যান্ডসকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই ফরোয়ার্ড।

তবে স্কোরলাইন যতটা একপেশে দেখাচ্ছে, ম্যাচের চিত্র ততটা নয়। হাইড্রেশন বিরতির পর থেকে খেলায় প্রভাব বিস্তার করেছে সুইডেন। শেষ অংশে সুইডেনই বেশি আক্রমণাত্মক ছিল।

সুইডিশ তারকা ভিক্টর গিওকেরেস একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও নেদারল্যান্ডসের গোলরক্ষক বার্ট ফেরব্রুগেন দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন। এছাড়া ইয়াসিন আয়ারিও কয়েকটি ভালো সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পাননি।

প্রথমার্ধে অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত ছিল সুইডেনের ইসাক হিয়েন লগারবিকের হেড থেকে পাওয়া গোলটি বাতিল হওয়া। দুর্দান্ত হেডে তিনি বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি গণ্য হয়নি। সেই সময় গোলরক্ষক ফেরব্রুগেনের সঙ্গে জোরালো সংঘর্ষেও পড়তে হয় তাকে, ফলে দারুণ প্রচেষ্টাটি শেষ পর্যন্ত কোনো ফল বয়ে আনেনি। প্রথমার্ধ শেষে নেদারল্যান্ডস ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতেই ব্যবধান ৩-০ করে ডাচরা। ৪৭ মিনিটে ডানদিক থেকে ডামফ্রিসের দারুণ ক্রসে পা ছুঁইয়ে দিয়ে বল জালে জড়ান কোডি গাকপো।

৫৪ মিনিটে গাকপোর আরও এক গোল। বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর থেকেই দুর্দান্ত খেলেছেন ক্রিসেনসিও সামারভিলে। বাম দিক দিয়ে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে এসে তিনি নিখুঁত একটি পাস বাড়িয়ে দেন গাকপোর পায়ে। গাকপো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভেতরের দিকে কাট করেন, তারপর জোরালো শটে বল পাঠিয়ে দেন নিচের বাম কোণে! গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না (৪-০)।

পাঁচ মিনিট পর একটি গোল শোধ করে সুইডেন। নিজেদের অর্ধ থেকেই বল পুনরুদ্ধার করে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে যায় তারা। মাঝমাঠের কাছ থেকে আলেকজান্ডার ইসাক অসাধারণ এক থ্রু পাস বাড়িয়ে দেন সামনে দৌড়ে যাওয়া অ্যান্থনি এলাঙ্গার উদ্দেশে।

এরপর সবকিছু নির্ভর করছিল এলাঙ্গার ঠান্ডা মাথার ওপর। বদলি হিসেবে নামা এই উইঙ্গার কোনো ভুল করেননি। দারুণ নিয়ন্ত্রণের পর বাঁ পায়ের চিপড শটে তিনি বল জড়িয়ে দেন জালে (৪-১)।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow