৫৬ লাখ টন মাছ উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা

২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে ৫৬ লাখ ৩৫ হাজার টন মৎস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৎস্য ও প্রাণিজাত পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সুনীল অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও পেলাজিক মাছ আহরণে বাণিজ্যিক ভেসেল পরিচালনা, সামুদ্রিক শৈবাল চাষের সম্প্রসারণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রপ্তানি আয় এক বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে কুয়াকাটা ও সলিমপুরকে নতুন সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা এবং মাতারবাড়িতে আধুনিক মৎস্য বন্দর স্থাপনের মাধ্যমে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। সমুদ্র সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব ফিশ ল্যান্ডিং সেন্টার অব বাংলাদেশ ফিশারিজ ডে

৫৬ লাখ টন মাছ উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা

২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে ৫৬ লাখ ৩৫ হাজার টন মৎস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৎস্য ও প্রাণিজাত পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সুনীল অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও পেলাজিক মাছ আহরণে বাণিজ্যিক ভেসেল পরিচালনা, সামুদ্রিক শৈবাল চাষের সম্প্রসারণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মৎস্য রপ্তানি আয় এক বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে কুয়াকাটা ও সলিমপুরকে নতুন সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা এবং মাতারবাড়িতে আধুনিক মৎস্য বন্দর স্থাপনের মাধ্যমে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। সমুদ্র সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব ফিশ ল্যান্ডিং সেন্টার অব বাংলাদেশ ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন ইন কক্সবাজার ডিস্ট্রিক্ট’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের মৎস্য বৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও জীনপুল সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে আটটি বিভাগে বিল নার্সারি স্থাপন ও অভয়াশ্রম রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সরকার দেশীয় প্রজাতির মাছের নার্সারি ব্যবস্থাপনা ও বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদ কৌশল উন্নয়ন করবে, যা আমাদের হারিয়ে যাওয়া দেশীয় মাছের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা পুনরুজ্জীবিত করবে।

তিনি বলেন, আমরা প্রকৃত মৎস্যজীবী ও কৃষকদের সুরক্ষায় ‘জাল যার জলা তার’ নীতির ভিত্তিতে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরগুলো স্থানীয় মৎস্যজীবী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। এ খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে সামাজিক নিরাপত্তার আওতা বৃদ্ধি করে হাওর ও সুন্দরবন এলাকা নতুন করে অন্তর্ভুক্তিসহ মোট ১৫ লাখ জেলে পরিবারকে ভিজিএফ সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে। মৎস্য চাষিদের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশে প্রথমবারের মতো মৎস্য বিমা স্কিম চালু এবং বাণিজ্যিক মৎস্য খামার যান্ত্রিকীকরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এনএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow