৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তার যুবক
যশোরের শার্শা উপজেলার ফুলসারা গ্রামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়নের ফুলসারা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম নাইম হোসাইন (২১)। তিনি পার্শ্ববর্তী শিকারপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ফুলসারা গ্রামে নিজ বাড়ির সংলগ্ন দোকানে ছোট মেয়েকে বসিয়ে রেখে বাবা নাস্তা খেতে ভেতরে যান। এই সুযোগে দোকান ফাঁকা পেয়ে নাইম ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং শিশুটিকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরিস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় নাইম। পরবর্তীতে দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ চেক করে অভিযুক্ত নাইমকে শনাক্ত করেন স্থানীয়রা। পরে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে ধরে এনে গণধোলাই দিয়ে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী শিশুটিকে হেফাজতে নেওয়া হয়। শিশুটি ঘটনার
যশোরের শার্শা উপজেলার ফুলসারা গ্রামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়নের ফুলসারা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম নাইম হোসাইন (২১)। তিনি পার্শ্ববর্তী শিকারপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ফুলসারা গ্রামে নিজ বাড়ির সংলগ্ন দোকানে ছোট মেয়েকে বসিয়ে রেখে বাবা নাস্তা খেতে ভেতরে যান। এই সুযোগে দোকান ফাঁকা পেয়ে নাইম ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং শিশুটিকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরিস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় নাইম।
পরবর্তীতে দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ চেক করে অভিযুক্ত নাইমকে শনাক্ত করেন স্থানীয়রা। পরে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে ধরে এনে গণধোলাই দিয়ে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী শিশুটিকে হেফাজতে নেওয়া হয়। শিশুটি ঘটনার আকস্মিকতায় ভয় পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে শার্শা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে ইতোমধ্যে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
What's Your Reaction?