৬ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ সৌদি প্রবাসীর
সৌদি আরবে ৬ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ দিয়েছে আব্দুল আলি নামের এক প্রবাসী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে (বিএমইটি) স্বামীর হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন স্ত্রী মৌসুমি আক্তার। বকেয়া বেতন ও সৌদি যাওয়ার খরচসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ভুক্তভোগীর স্ত্রী।
বিএমটির অভিযোগপত্রে বলা হয়, আমি গত ১৪ মাস হলো সৌদি আরবে এসে মহাবিপদে আছি। মোবাইলে ও লোকমারফত আয়াত ওভারসিজ (আরএল-১৬৩৮) এ যোগাযোগ করার পরও সমস্যার সমাধান হয়নি। বিগত ১৪ মাসেও আমার আকামা হয়নি এবং চুক্তি অনুসারে কাজ দেয়নি। এমতাবস্থায় ৫ থেকে ৬ মাসের বেশি হল আমি বেতন পাই না। বেতন চাওয়ায় আমিসহ ১০ থেকে ১২ জনকে কাজের জায়গা থেকে বের করে দেয়। তাই আমাদের বকেয়া বেতন ও সৌদি যাওয়া-আসার খরচসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দ্রুতই চাই।
ভুক্তভোগীর পক্ষে এসব লিখেছেন স্ত্রী মৌসুমি আক্তার। ঠাকুরগাঁও জেলার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি।
এ বিষয়ে জানতে আয়াত ওভারসীজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আহসান হাবিব বলেন, আমি এখন কিছু বলতে পারছি না। তার পাসপোর্ট ও ভিসা দেখে বিষয়টা জানাতে পারবো। তবে পরে কল করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জ
সৌদি আরবে ৬ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ দিয়েছে আব্দুল আলি নামের এক প্রবাসী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে (বিএমইটি) স্বামীর হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন স্ত্রী মৌসুমি আক্তার। বকেয়া বেতন ও সৌদি যাওয়ার খরচসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ভুক্তভোগীর স্ত্রী।
বিএমটির অভিযোগপত্রে বলা হয়, আমি গত ১৪ মাস হলো সৌদি আরবে এসে মহাবিপদে আছি। মোবাইলে ও লোকমারফত আয়াত ওভারসিজ (আরএল-১৬৩৮) এ যোগাযোগ করার পরও সমস্যার সমাধান হয়নি। বিগত ১৪ মাসেও আমার আকামা হয়নি এবং চুক্তি অনুসারে কাজ দেয়নি। এমতাবস্থায় ৫ থেকে ৬ মাসের বেশি হল আমি বেতন পাই না। বেতন চাওয়ায় আমিসহ ১০ থেকে ১২ জনকে কাজের জায়গা থেকে বের করে দেয়। তাই আমাদের বকেয়া বেতন ও সৌদি যাওয়া-আসার খরচসহ সাড়ে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দ্রুতই চাই।
ভুক্তভোগীর পক্ষে এসব লিখেছেন স্ত্রী মৌসুমি আক্তার। ঠাকুরগাঁও জেলার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি।
এ বিষয়ে জানতে আয়াত ওভারসীজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আহসান হাবিব বলেন, আমি এখন কিছু বলতে পারছি না। তার পাসপোর্ট ও ভিসা দেখে বিষয়টা জানাতে পারবো। তবে পরে কল করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএমইটির একজন সহকারী পরিচালক নাম প্রকাশ না করে বলেন, আমরা সব অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তাই এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত হওয়ার পর দুই পক্ষের শুনানির মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।