৬০ বছরে এই প্রথম! বিশ্বকাপে বিরল ঘটনার জন্ম দিলেন স্পেনের তারকা ফরোয়ার্ড
বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচেই রূপকথা তৈরি করেছে আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। পুরো ম্যাচজুড়ে বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেও গোলহীন হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে।
অন্যদিকে, ইস্পাতকঠিন রক্ষণ আর গোলরক্ষকের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তিকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে নিজেদের আগমনী বার্তা জানান দিল নবাগত কেপ ভার্দে।
ম্যাচটি ড্র হলেও ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের জন্ম দিয়েছেন স্পেনের তারকা ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারসাবাল। রিয়াল সোসিয়াদাদের এই তারকা ম্যাচের একটি পর্যায়ে টানা প্রায় ৩০ মিনিট বলের কোনো স্পর্শই পাননি! ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপের ডেটা বা পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চের কোনো ম্যাচে কোনো আউটফিল্ড ফুটবলারের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এটাই প্রথম। কেপ ভার্দের হাই-প্রেস ফুটবল ও রক্ষণাত্মক কৌশলের কারণেই মূলত স্পেনের আক্রমণভাগ ম্যাচজুড়ে এভাবে বোতলবন্দি হয়ে ছিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল স্পেনের নিয়ন্ত্রণে। পুরো ম্যাচে স্পেনের দখলে ছিল প্রায় ৭৪ শতাংশ বল। তারা প্রতিপক্ষের গোলবার লক্ষ্য করে ২৩টি শট ন
বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচেই রূপকথা তৈরি করেছে আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। পুরো ম্যাচজুড়ে বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেও গোলহীন হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে।
অন্যদিকে, ইস্পাতকঠিন রক্ষণ আর গোলরক্ষকের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তিকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে নিজেদের আগমনী বার্তা জানান দিল নবাগত কেপ ভার্দে।
ম্যাচটি ড্র হলেও ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের জন্ম দিয়েছেন স্পেনের তারকা ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারসাবাল। রিয়াল সোসিয়াদাদের এই তারকা ম্যাচের একটি পর্যায়ে টানা প্রায় ৩০ মিনিট বলের কোনো স্পর্শই পাননি! ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপের ডেটা বা পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চের কোনো ম্যাচে কোনো আউটফিল্ড ফুটবলারের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এটাই প্রথম। কেপ ভার্দের হাই-প্রেস ফুটবল ও রক্ষণাত্মক কৌশলের কারণেই মূলত স্পেনের আক্রমণভাগ ম্যাচজুড়ে এভাবে বোতলবন্দি হয়ে ছিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল স্পেনের নিয়ন্ত্রণে। পুরো ম্যাচে স্পেনের দখলে ছিল প্রায় ৭৪ শতাংশ বল। তারা প্রতিপক্ষের গোলবার লক্ষ্য করে ২৩টি শট নেয়, যার মধ্যে ৮টিই ছিল অন-টার্গেট। কিন্তু কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার দৃঢ়তায় কোনো শটই জালের দেখা পায়নি।
প্রথমার্ধে ফেরান তোরেসের নেওয়া একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের দারুণ এক হেড রুখে দেন ভোজিনিয়া। আয়মেরিক লাপোর্ত ও স্পেনের অন্যান্য ফরোয়ার্ডদের একাধিক আক্রমণও নসাৎ হয় তার গ্লাভসে।
এই ম্যাচের আরেকটি আকর্ষণীয় দিক ছিল কেপ ভার্দের শুরুর একাদশ। চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গড় বয়স (৩১ বছরের বেশি) নিয়ে মাঠে নামে দলটি। অন্যদিকে ৭১ মিনিটে স্পেনের ১৮ বছর বয়সী তরুণ বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামাল মাঠে নামলে আক্রমণে কিছুটা গতি এলেও কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ ডিফেন্স ভাঙা সম্ভব হয়নি। ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার জন্য এটি ছিল ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ, আর অভিষেক ম্যাচেই তিনি উপহার দিলেন ক্যারিয়ার সেরা পারফরম্যান্স।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই গোলশূন্য ড্রয়ের আনন্দে মেতে ওঠে কেপ ভার্দের পুরো শিবির। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রুখে দিয়ে পাওয়া এই ১ পয়েন্ট তাদের কাছে ছিল যেকোনো জয়ের চেয়েও বড়। বিপরীতে, একচেটিয়া আধিপত্যের পরও গোল করতে না পারার এই ব্যর্থতা টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচগুলোর জন্য স্পেনের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা দিয়ে গেল।