৬৬ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল আরাকান আর্মি
মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির হাতে বিভিন্ন সময়ে নাফনদে মাছ শিকারের সময় আটক ৬৬ জন বাংলাদেশি ও সাতজন জেলেকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া। দীর্ঘদিন পর দেশের মাটিতে পা রাখতে পেরে জেলেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। টেকনাফ ঘাটে এসময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, অপেক্ষায় থাকা পরিবার-পরিজনদের মাঝে ফিরে আসে স্বস্তি। বিজিবির সিও বলেন, টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরীপাড়া সংলগ্ন ট্রানজিট জেটিঘাট দিয়ে জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ধাপে ধাপে মিয়ানমারে আটক সব বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নাফ নদ ও সাগর থেকে বিভিন্ন সময়ে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের মুক্ত করতে বিজিবি আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ করে তৎপরতা চালাচ্ছে। বিজিবি সূত্র জানায়, গত পাঁচ মাসে টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিন উপকূলীয় জলসীমা থেকে অন্তত ৪২০ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা হুমায়রা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে অপহরণের পাঁচ মাস ধরে
মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির হাতে বিভিন্ন সময়ে নাফনদে মাছ শিকারের সময় আটক ৬৬ জন বাংলাদেশি ও সাতজন জেলেকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।
দীর্ঘদিন পর দেশের মাটিতে পা রাখতে পেরে জেলেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। টেকনাফ ঘাটে এসময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, অপেক্ষায় থাকা পরিবার-পরিজনদের মাঝে ফিরে আসে স্বস্তি।
বিজিবির সিও বলেন, টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরীপাড়া সংলগ্ন ট্রানজিট জেটিঘাট দিয়ে জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ধাপে ধাপে মিয়ানমারে আটক সব বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নাফ নদ ও সাগর থেকে বিভিন্ন সময়ে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের মুক্ত করতে বিজিবি আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ করে তৎপরতা চালাচ্ছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গত পাঁচ মাসে টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিন উপকূলীয় জলসীমা থেকে অন্তত ৪২০ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা হুমায়রা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে অপহরণের পাঁচ মাস ধরে জানি না তিনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন। দুই সন্তান নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে। আজ তিনি ফিরবেন এ আশায় বসে আছি।
শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা মিয়ানমারে আটক নুরুল আলমের ভাই ছৈয়দ আলম বলেন, আজ জেলেরা ফেরত আসবেন শুনে এখানে এসেছি। খুব খুশি লাগছে, তবে তালিকায় আমার ভাইয়ের নাম আছে কি না, জানি না।
বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে মাছ শিকার করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বাংলাদেশি জেলেরা জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমারে ঢুকে পড়লে আরাকান আর্মি তাদের আটক করে। পরবর্তীতে তাদের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছিল।
তারা আরও জানান, আটক জেলেদের ফিরিয়ে আনতে কক্সবাজার অঞ্চলের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো সমন্বিত মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে। আরাকান আর্মির ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ, মধ্যস্থতা এবং সফল আলোচনার প্রেক্ষিতে আজ প্রথম ধাপে ৭৩ জনকে মুক্তি দেয়া হয়।
এদিকে জেলেদের ফেরত আনার খবরে অনেক পরিবার দুপুর থেকে টেকনাফ জেটিঘাটে ভিড় করেছেন। প্রিয়জনদের একনজর দেখতে অনেকে সকাল থেকেই সেখানে অপেক্ষা করছেন।
What's Your Reaction?