৬৬ সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার
এক নিমিষেই যেন থমকে গেল কয়েক দশকের বৈশ্বিক সমঝোতা। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা কিংবা যুদ্ধবিধ্বস্ত শিশুর নিরাপত্তা, সবই এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। কোনো আগাম সতর্কবার্তা ছাড়াই ছিঁড়ে ফেলা হলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার দীর্ঘদিনের সুতো। বিশ্ব রাজনীতিতে এমন এক নাটকীয় ও চরম সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জারি করা এক বিশেষ স্মারকলিপিতে জানানো হয়, জাতিসংঘসহ ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নিজেদের পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের দাবি, এই সংস্থা, কনভেনশন এবং চুক্তিগুলো আমেরিকার স্বার্থের পরিপন্থি। এই তালিকায় রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আইপিসিসি, ইউএনএফসিসি এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা ইউএনএফপিএ-র মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। শুধু অংশগ্রহণই নয়, এসব সংস্থায় সব ধরনের মার্কিন অর্থায়নও পুরোপুরি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেই ট্রাম্প ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। উল্লেখ্য, ডব্লিউএইচ
এক নিমিষেই যেন থমকে গেল কয়েক দশকের বৈশ্বিক সমঝোতা। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা কিংবা যুদ্ধবিধ্বস্ত শিশুর নিরাপত্তা, সবই এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। কোনো আগাম সতর্কবার্তা ছাড়াই ছিঁড়ে ফেলা হলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার দীর্ঘদিনের সুতো। বিশ্ব রাজনীতিতে এমন এক নাটকীয় ও চরম সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জারি করা এক বিশেষ স্মারকলিপিতে জানানো হয়, জাতিসংঘসহ ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নিজেদের পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের দাবি, এই সংস্থা, কনভেনশন এবং চুক্তিগুলো আমেরিকার স্বার্থের পরিপন্থি।
এই তালিকায় রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আইপিসিসি, ইউএনএফসিসি এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা ইউএনএফপিএ-র মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। শুধু অংশগ্রহণই নয়, এসব সংস্থায় সব ধরনের মার্কিন অর্থায়নও পুরোপুরি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেই ট্রাম্প ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। উল্লেখ্য, ডব্লিউএইচও-র মোট বাজেটের প্রায় ১৮ শতাংশ অর্থায়ন আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, যা বন্ধ হলে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বড় ধরনের সংকটে পড়বে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আমেরিকার এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নীতি বিশ্বমঞ্চে দেশটির প্রভাব যেমন কমাবে, তেমনি জলবায়ু ও গণতন্ত্র রক্ষার বৈশ্বিক লড়াইকেও কয়েক দশক পিছিয়ে দিতে পারে।
What's Your Reaction?