৯ দিন আত্মগোপনে থাকার পর ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
আলোচিত দুটি মামলার প্রধান আসামি এবং সাভার থানা ছাত্রদলের সদ্য পদ হারানো সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামিরকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নয়দিন আত্মগোপনে থাকার পর রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সদরঘাটের জংশন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃত মাহাবুব হোসেন সামির (৩৫) সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে। সম্প্রতি সাভারে দায়ের হওয়া দুটি আলোচিত মামলার প্রধান আসামি হিসেবে তার নাম উঠে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সামিরকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটন এবং তার সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, দুটি মামলার তদন্ত এগিয়ে চলছে। প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় তদন্তে নতুন গতি আসবে
আলোচিত দুটি মামলার প্রধান আসামি এবং সাভার থানা ছাত্রদলের সদ্য পদ হারানো সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামিরকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নয়দিন আত্মগোপনে থাকার পর রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সদরঘাটের জংশন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃত মাহাবুব হোসেন সামির (৩৫) সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে। সম্প্রতি সাভারে দায়ের হওয়া দুটি আলোচিত মামলার প্রধান আসামি হিসেবে তার নাম উঠে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সামিরকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটন এবং তার সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, দুটি মামলার তদন্ত এগিয়ে চলছে। প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় তদন্তে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একইসঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুটকৃত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সামিরের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।