৯০ বছর বয়সে লাঠিভর করে ভোট দিলেন মোবারক মিয়া
বয়সের ভারে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেন না। হয়তো এটাই জীবনের শেষ ভোট। পছন্দের পার্থীকে ভোট দিতে লাঠিভর করে অন্যের সাহায্য নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন মোবারক মিয়া (৯০)। নানান অসুস্থতা নিয়েই মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের সিদ্ধেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এসেছেন তিনি। মোবারক মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘একেবারেই হাঁটতে পারি না। অনেক কষ্ট করে ভোট দিতে এসেছি। জীবনে অনেকবার ভোট দিয়েছি। এবারও এসেছি। এইটা হয়তো জীবনের শেষ ভোট হতে পারে। যদি বেঁচে থাকি তাহলে আবার ভোট দেবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আগের প্রতিটি ভোটে অনেক উৎসাহ নিয়ে ভোট দিয়েছি। এখন হাঁটতে পারি না, কানেও কম শুনি। এর পরেও ঘরে বসে থাকতে মন চায়নি। এজন্য ভোট দিতে এসেছি। কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ভোট শেষ হলে ভালো।’ সিদ্ধেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৫৭ জন। প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩০০টি।’ এম ইসলাম/এসইউ
বয়সের ভারে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেন না। হয়তো এটাই জীবনের শেষ ভোট। পছন্দের পার্থীকে ভোট দিতে লাঠিভর করে অন্যের সাহায্য নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন মোবারক মিয়া (৯০)। নানান অসুস্থতা নিয়েই মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের সিদ্ধেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এসেছেন তিনি।
মোবারক মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘একেবারেই হাঁটতে পারি না। অনেক কষ্ট করে ভোট দিতে এসেছি। জীবনে অনেকবার ভোট দিয়েছি। এবারও এসেছি। এইটা হয়তো জীবনের শেষ ভোট হতে পারে। যদি বেঁচে থাকি তাহলে আবার ভোট দেবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আগের প্রতিটি ভোটে অনেক উৎসাহ নিয়ে ভোট দিয়েছি। এখন হাঁটতে পারি না, কানেও কম শুনি। এর পরেও ঘরে বসে থাকতে মন চায়নি। এজন্য ভোট দিতে এসেছি। কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ভোট শেষ হলে ভালো।’
সিদ্ধেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৫৫৭ জন। প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩০০টি।’
এম ইসলাম/এসইউ
What's Your Reaction?