অকটেন নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলছে বিপিসি

দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটি বলছে, প্রকাশিত সংবাদটি তথ্যভিত্তিক নয় এবং বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিপিসির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ ব্যাখা দেওয়া হয়। ব্যাখ্যায় বিপিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৯ এপ্রিল প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি থেকে অকটেন ও পেট্রোল সংগ্রহ না নেওয়ার যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা সঠিক নয়। বরং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদিত অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহের জন্য বিপিসি থেকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিপিসি জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে স্থানীয় উৎসের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও আমদানি অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপিসি গত ৮ এপ্রিল দেশীয় প্রতিষ্ঠান থেকে অকটেন ও পেট্রোল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে চিঠি দিয়েছে—এ তথ্যও সঠিক নয়। এ ধরনের কোনো চিঠি বিপিসির পক্ষ থেকে পাঠানো হয়নি বলে জানানো হয়েছে। সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, দেশীয় উৎস থেকে

অকটেন নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলছে বিপিসি

দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটি বলছে, প্রকাশিত সংবাদটি তথ্যভিত্তিক নয় এবং বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিপিসির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ ব্যাখা দেওয়া হয়।

ব্যাখ্যায় বিপিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৯ এপ্রিল প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি থেকে অকটেন ও পেট্রোল সংগ্রহ না নেওয়ার যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা সঠিক নয়। বরং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদিত অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহের জন্য বিপিসি থেকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিপিসি জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে স্থানীয় উৎসের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও আমদানি অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপিসি গত ৮ এপ্রিল দেশীয় প্রতিষ্ঠান থেকে অকটেন ও পেট্রোল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে চিঠি দিয়েছে—এ তথ্যও সঠিক নয়। এ ধরনের কোনো চিঠি বিপিসির পক্ষ থেকে পাঠানো হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, দেশীয় উৎস থেকে পর্যাপ্ত অকটেন ও পেট্রোল গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। ফলে বিপিসি সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি থেকে পণ্য নিচ্ছে না—এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সুপার পেট্রো পিএলসি থেকে ১১ হাজার ৬১৫ মেট্রিক টন অকটেন, ৭ হাজার ১৭৭ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ১২ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া এ্যাকোয়া রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ২৯১ মেট্রিক টন অকটেন, ৪ হাজার ১৩ মেট্রিক টন পেট্রোল ও ৫৮১ মেট্রিক টন ডিজেল এবং পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৩ হাজার ২৬৪ মেট্রিক টন অকটেন, ১ হাজার ২৫৪ মেট্রিক টন পেট্রোল ও ১ হাজার ৮৯৬ মেট্রিক টন ডিজেল গ্রহণ করা হয়েছে। যা চলতি বছরের পূর্ববর্তী মাসগুলোর তুলনায় বেশি বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

এছাড়া মাসের অবশিষ্ট সময়েও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি পণ্য গ্রহণের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি। এমতাবস্থায়, জনস্বার্থে সঠিক ও বাস্তবভিত্তিক তথ্য উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow