অক্সফোর্ডেরও ৫০০ বছর আগের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় কেন ধ্বংস করা হয়?
বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন এবং প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গণ্য করা হয় ভারতের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে। এটি ৪২৭ খ্রিষ্টাব্দে বিহারে গুপ্ত সাম্রাজ্যের আমলে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বৌদ্ধশিক্ষার এই বিখ্যাত কেন্দ্রে দর্শন, চিকিৎসাবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যাসহ নানা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হতো। চীন, তিব্বত ও মধ্য এশিয়া থেকে হাজারো শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করতে আসতেন। ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে আক্রমণে বিশ্ববিদ্যালয়টি ধ্বংস হয়ে যায়। এরপর কেটে যায় প্রায় আট শতক। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আবার আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে একটি অস্থায়ী অবস্থান থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করা হয়। বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় খ্রিস্টীয় ৪২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত নালন্দাকে বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আধুনিক সময়ের অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করলে একে বলা যায় প্রাচীন ভারতের এক ‘আইভি লিগ’। এখানে পড়াশোনা করতে আসতেন পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা। চিকিৎসাবিজ্ঞান, যুক্তিবিদ্যা, গণিত থেকে
বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন এবং প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গণ্য করা হয় ভারতের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে। এটি ৪২৭ খ্রিষ্টাব্দে বিহারে গুপ্ত সাম্রাজ্যের আমলে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বৌদ্ধশিক্ষার এই বিখ্যাত কেন্দ্রে দর্শন, চিকিৎসাবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যাসহ নানা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হতো। চীন, তিব্বত ও মধ্য এশিয়া থেকে হাজারো শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করতে আসতেন। ১১৯৩ খ্রিষ্টাব্দে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে আক্রমণে বিশ্ববিদ্যালয়টি ধ্বংস হয়ে যায়। এরপর কেটে যায় প্রায় আট শতক। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আবার আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে একটি অস্থায়ী অবস্থান থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করা হয়।
বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়
খ্রিস্টীয় ৪২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত নালন্দাকে বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আধুনিক সময়ের অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা করলে একে বলা যায় প্রাচীন ভারতের এক ‘আইভি লিগ’। এখানে পড়াশোনা করতে আসতেন পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা। চিকিৎসাবিজ্ঞান, যুক্তিবিদ্যা, গণিত থেকে শুরু করে দর্শন ও বৌদ্ধধর্ম জ্ঞানচর্চার পরিধি ছিল বিস্ময়করভাবে বিস্তৃত। আর তাদের শিক্ষক ছিলেন সেই যুগের সবচেয়ে খ্যাতিমান পণ্ডিতদের অনেকে। দালাই লামা একবার বলেছিলেন, ‘বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে আজ আমাদের কাছে যে জ্ঞান রয়েছে, তার উৎস নালন্দা।’
নালন্দাকে বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল ভর্তি প্রক্রিয়া
এখানে ভর্তি হওয়াও ছিল কঠিন। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নালন্দার শীর্ষ পণ্ডিতদের সামনে কঠিন মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হতো। যারা সুযোগ পেতেন, তাদের শিক্ষা দিতেন ভারতের নানা অঞ্চল থেকে আসা পণ্ডিতেরা। ধর্মপাল ও শীলভদ্রের মতো বৌদ্ধ গুরুদের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল এক অসাধারণ জ্ঞানসমাজ।
জ্ঞানের এক উদার বিশ্ববিদ্যালয়
সাত শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নালন্দা ছিল এশিয়ার জ্ঞানচর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ইউরোপের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বোলোনিয়া কিংবা অক্সফোর্ডের জন্মেরও পাঁচ শতাব্দী আগে এখানে উচ্চশিক্ষার এমন এক পরিবেশ গড়ে উঠেছিল, যার তুলনা সে সময়ের পৃথিবীতে খুব কমই ছিল।
যে গুপ্ত সম্রাটদের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দার যাত্রা শুরু, তারা নিজেরা ছিলেন হিন্দু। কিন্তু বৌদ্ধধর্মের প্রতি তাদের ছিল গভীর সহনশীলতা ও শ্রদ্ধা। সে সময় বৌদ্ধ চিন্তা, দর্শন ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা নতুন উদ্দীপনায় বিকশিত হচ্ছিল। গুপ্ত শাসকদের উদার সাংস্কৃতিক পরিবেশই নালন্দার শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে দেয়।
এখানে বৌদ্ধ দর্শনের পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞান, গণিত, যুক্তিবিদ্যা, জ্যোতির্বিজ্ঞানসহ নানা বিষয়ে জ্ঞানচর্চা হতো। প্রকৃতিনির্ভর প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসাব্যবস্থা আয়ুর্বেদও নালন্দায় গুরুত্বের সঙ্গে পড়ানো হতো। এখানকার শিক্ষার্থীরা জ্ঞান নিয়ে ফিরে গিয়ে ভারতের নানা অঞ্চলে তা ছড়িয়ে দিতেন।
নালন্দার স্থাপত্যও পরবর্তী বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণকে ঘিরে প্রার্থনাকক্ষ ও পাঠকক্ষ এই স্থাপত্যরীতি অন্যত্র অনুসরণ করা হয়। এখানকার স্টুকো শিল্পের প্রভাব পৌঁছেছিল থাইল্যান্ডের ধর্মীয় শিল্পে। তিব্বত ও মালয় উপদ্বীপে ধাতব শিল্পের ধারাও ছড়িয়ে পড়েছিল।
শূন্য থেকে মহাকাশ
ভারতীয় গণিতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত আর্যভট্ট ষষ্ঠ শতকে নালন্দার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তার অবদান গণিতের ইতিহাসে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। কলকাতার গণিতের অধ্যাপক অনুরাধা মিত্রের ভাষায়, আর্যভট্টই সম্ভবত প্রথম ব্যক্তি, যিনি শূন্যকে একটি স্বতন্ত্র অঙ্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এই ধারণা গাণিতিক হিসাবকে সহজ করে দেয় এবং পরবর্তী সময়ে বীজগণিত ও ক্যালকুলাসের মতো জটিল শাখার বিকাশের পথ খুলে দেয়। শূন্যের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি বলেন, ‘শূন্য না থাকলে কম্পিউটারও থাকত না।’ আর্যভট্ট বর্গমূল ও ঘনমূল নির্ণয়, ত্রিকোণমিতিক ফাংশনের ব্যবহার এবং গোলীয় জ্যামিতি নিয়েও যুগান্তকারী কাজ করেছিলেন। চাঁদের আলো নিজের নয়, সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে চাঁদকে উজ্জ্বল দেখায় এই সত্যও তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন।
এশিয়াজুড়ে জ্ঞানের সেতুবন্ধ
নালন্দা শিক্ষার্থী গ্রহণের পাশাপাশি জ্ঞানদূতদের পাঠাত পৃথিবীর নানা প্রান্তে। নালন্দার পণ্ডিত ও শিক্ষকদের চীন, কোরিয়া, জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কায় নিয়মিতভাবে পাঠানো হতো। তাদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ত বৌদ্ধ দর্শন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি। এ ছিল এক ধরনের প্রাচীন সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি। যার প্রভাব এশিয়ার ইতিহাসে সুদূরপ্রসারী। চীনা বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ও বিখ্যাত পরিব্রাজক হিউয়েন সাং ছিলেন নালন্দার অন্যতম শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দে চীনে ফিরে যাওয়ার সময় তিনি নালন্দা থেকে ৬৫৭টি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ সঙ্গে নিয়ে যান। চীনে ফিরে তিনি এসব গ্রন্থের একটি অংশ অনুবাদ করেন এবং বৌদ্ধ দর্শনের বিকাশে অসামান্য ভূমিকা রাখেন। এই কারণেই হিউয়েন সাং ইতিহাসে পরিচিত হয়ে আছেন এমন একজন সন্ন্যাসী হিসেবে, যিনি বৌদ্ধধর্মকে পূর্ব এশিয়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন।
বোলোনিয়া কিংবা অক্সফোর্ডের জন্মেরও পাঁচ শতাব্দী আগে এখানে উচ্চশিক্ষার মান ছিল অতুলনীয়
ধ্বংসের আগেও এসেছিল আঘাত
আজ নালন্দা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু এই গৌরবময় জ্ঞানকেন্দ্রের ইতিহাস কেবল উত্থানের নয়। এটিকে বারবার আঘাত ও ধ্বংসের কবলে পড়তে হয়েছে। ১১৯০-এর দশকে তুর্কো-আফগান সামরিক সেনাপতি বখতিয়ার খিলজির বাহিনী নালন্দায় আক্রমণ চালায়। উত্তর ও পূর্ব ভারত জয়ের অভিযানের অংশ হিসেবে এই জ্ঞানকেন্দ্রও তাদের আক্রমণের শিকার হয়।
কথিত আছে, নালন্দার গ্রন্থাগারে আগুন লাগানোর পর সেই আগুন তিন মাস ধরে জ্বলেছিল। বিপুল সংখ্যক পুঁথি ও জ্ঞানভাণ্ডার চিরতরে হারিয়ে যায়। তবে নালন্দার পতনের ইতিহাস একেবারে সরল নয়। খিলজির আক্রমণের বহু আগে, পঞ্চম শতকে হুন শাসক মিহিরকুলের বাহিনী নালন্দায় আক্রমণ চালিয়েছিল। অষ্টম শতকেও বাংলার গৌড় রাজ্যের আক্রমণে বিশ্ববিদ্যালয়টি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ে।
কেন ধ্বংস হয়েছিল নালন্দা?
নালন্দা ধ্বংসের কারণ নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে এখনো বিতর্ক রয়েছে। প্রচলিত ধারণা হলো, বৌদ্ধ জ্ঞানচর্চার এই বিশাল কেন্দ্রকে ইসলামবিরোধী কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখেছিল খিলজির বাহিনী। কিন্তু অন্য ব্যাখ্যাও রয়েছে। ভারতের প্রখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ এইচ ডি সাংকালিয়া তার ১৯৩৪ সালের দ্য ইউনিভার্সিটি অব নালন্দা বইয়ে লিখেছিলেন, নালন্দার দুর্গসদৃশ বিশাল কাঠামো এবং তার বিপুল সম্পদের গল্পই একে আক্রমণকারীদের কাছে আকর্ষণীয় লক্ষ্য করে তুলতে পারে।
নালন্দা জাদুঘরের পরিচালক শঙ্কর শর্মার মতে, আক্রমণের সুনির্দিষ্ট কারণ এক কথায় বলা কঠিন। তার ভাষায়, খিলজির আক্রমণের সময় ভারতে বৌদ্ধধর্ম নিজেই পতনের পথে ছিল। অষ্টম শতাব্দী থেকে নালন্দাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসা বৌদ্ধ পাল রাজবংশও তখন দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অবক্ষয়, বৌদ্ধধর্মের সামগ্রিক পতন এবং রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতার অবসান সব মিলিয়ে খিলজির আক্রমণ হয়ে ওঠে নালন্দার শেষ আঘাত।
আগুনের পর ছাই
এরপর প্রায় ছয় শতাব্দী ধরে নালন্দা ধীরে ধীরে মানুষের স্মৃতি থেকে হারিয়ে যায়। মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকে একসময়ের সেই বিশ্বখ্যাত জ্ঞাননগরী। ১৮১২ সালে স্কটিশ জরিপকারী ফ্রান্সিস বুকানন-হ্যামিল্টন স্থানটির সন্ধান পান। পরে ১৮৬১ সালে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম নিশ্চিত করেন এটাই প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ। আজ সেখানে দাঁড়ালে অতীতের সেই মহিমা কল্পনা করা কঠিন। তবু লাল ইটের দেয়াল, প্রাচীন বিহার, মন্দির, পাঠকক্ষ আর স্তূপগুলো যেন ইতিহাসের দরজা খুলে দেয়।
যে গ্রন্থাগার হারিয়ে গেল আগুনে
নালন্দার গ্রন্থাগার ছিল তার গৌরবের অন্যতম প্রতীক। ৯০ লাখ হাতে লেখা তালপাতার পুঁথি বৌদ্ধ জ্ঞানের পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভাণ্ডারগুলোর একটি ছিল এটি। তিনটি গ্রন্থাগার ভবনের একটি ছিল নয়তলা উঁচু। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা সেই জ্ঞানভাণ্ডারের অধিকাংশই গ্রাস করে। অল্প কিছু পুঁথি ও কাঠের পাতায় আঁকা গ্রন্থ পালিয়ে যাওয়া সন্ন্যাসীরা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন। সেসবের কিছু নিদর্শন আজও যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি মিউজিয়াম অব আর্ট এবং তিব্বতের ইয়ারলুং জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
কথিত আছে, নালন্দার গ্রন্থাগারে আগুন লাগানোর পর সেই আগুন তিন মাস ধরে জ্বলেছিল
গ্রেট স্টুপা
নালন্দার ধ্বংসাবশেষের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থাপনাগুলোর একটি হলো গ্রেট স্টুপা। বিশাল এই স্মৃতিস্তম্ভটি ছিল বুদ্ধের অন্যতম প্রধান শিষ্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত। অষ্টভুজাকৃতির পিরামিডের মতো দেখতে স্থাপনাটির চারপাশে রয়েছে ইটের সিঁড়ি, ছোট ছোট স্তূপ ও প্রার্থনাস্থল। প্রায় ৩০ মিটার উঁচু এই স্থাপনার দেয়ালের খোপে একসময় ছিল সুন্দর স্টুকোর মূর্তি। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে সম্রাট অশোক এটি নির্মাণ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তী আট শতাব্দীতে স্থাপনাটি বহুবার পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে। ২০১৪ সালে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় একটি অস্থায়ী অবস্থান থেকে আবার কার্যক্রম শুরু করে।
কেএসকে
What's Your Reaction?

