অগ্নিকাণ্ডে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বসতঘর পুড়ে ছাই
বরগুনার বেতাগীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. আব্দুল খালেক হাওলাদারের বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বেতাগী উপজেলার উত্তর বেতাগী গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ ঘরে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, নগদ অর্থসহ জীবনের বহু স্মৃতি নিমেষেই পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া বাড়ির পাশের আরও একটি ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন ভুক্তভোগী মো. আব্দুল খালেক হাওলাদার। তিনি বলেন, “আমার চাকরিজীবনের সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে এই ঘর তৈরি করেছিলাম। আগুনে সব শেষ হয়ে গেল। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই আমার কাছে নেই। পেনশন সংক্রান্ত সব কাগজপত্র, জমির দলিল—সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।” খবর পেয়ে বেতাগী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ঘরের সব মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে য
বরগুনার বেতাগীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. আব্দুল খালেক হাওলাদারের বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বেতাগী উপজেলার উত্তর বেতাগী গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ ঘরে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, নগদ অর্থসহ জীবনের বহু স্মৃতি নিমেষেই পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া বাড়ির পাশের আরও একটি ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন ভুক্তভোগী মো. আব্দুল খালেক হাওলাদার। তিনি বলেন, “আমার চাকরিজীবনের সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে এই ঘর তৈরি করেছিলাম। আগুনে সব শেষ হয়ে গেল। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই আমার কাছে নেই। পেনশন সংক্রান্ত সব কাগজপত্র, জমির দলিল—সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।”
খবর পেয়ে বেতাগী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ঘরের সব মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের নিঃস্ব জীবনের করুণ পরিণতি স্থানীয়দের মধ্যে গভীর সহানুভূতির সৃষ্টি করেছে, অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?