অগ্নিকাণ্ডে ১০ হাজারের বেশি ভবন বন্ধ করেছে ইরাক
ইরাকে ২০২৫ সালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৭৪ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। কঠোর আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি সেবার সক্ষমতা বাড়ানোকে এই বড় সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অগ্নি নিরাপত্তা মান না মানায় গত বছর ১০ হাজারের বেশি ভবন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে ঝুঁকি কমেছে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে মানুষকে অগ্নি নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে এবং বাড়িতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জরুরি সেবার সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। দেশের সব প্রদেশে নতুন সিভিল ডিফেন্স কেন্দ্র চালু হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পৌঁছাতে এখন মাত্র ৪ থেকে ৭ মিনিট সময় লাগছে, যা আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি। আধুনিক যানবাহন যুক্ত হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতাও দ্রুত ও কার্যকর হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ড পুরোপুরি কমেনি। গত কয়েক বছরে ইরাকে হাজার হাজার অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষের মৃত্যু ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা যায়, কুর্দিস্তান অঞ্চল বাদ দিয়
ইরাকে ২০২৫ সালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৭৪ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। কঠোর আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি সেবার সক্ষমতা বাড়ানোকে এই বড় সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অগ্নি নিরাপত্তা মান না মানায় গত বছর ১০ হাজারের বেশি ভবন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে ঝুঁকি কমেছে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে মানুষকে অগ্নি নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে এবং বাড়িতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জরুরি সেবার সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। দেশের সব প্রদেশে নতুন সিভিল ডিফেন্স কেন্দ্র চালু হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পৌঁছাতে এখন মাত্র ৪ থেকে ৭ মিনিট সময় লাগছে, যা আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি। আধুনিক যানবাহন যুক্ত হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতাও দ্রুত ও কার্যকর হয়েছে।
তবে অগ্নিকাণ্ড পুরোপুরি কমেনি। গত কয়েক বছরে ইরাকে হাজার হাজার অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষের মৃত্যু ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা যায়, কুর্দিস্তান অঞ্চল বাদ দিয়ে গত তিন বছরে ইরাকে ৫৫ হাজারের বেশি অগ্নিকাণ্ড হয়েছে।
তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর আইন ও শাস্তির ব্যবস্থা প্রয়োজন।
What's Your Reaction?