অঝোরে কাঁদছেন স্বপ্না, নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে ঘাতক সোহেল

আদালতের কাঠগড়ায় থাকা আসামি সোহেল রানাকে ক্ষুব্ধ হয়ে মারতে উদ্যত হওয়ার পরপরই অঝোরে কাঁদলেন স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। এসময় অপলক দৃষ্টিতে স্বপ্নার দিকে তাকিয়ে ছিলেন তার স্বামী সোহেল রানা। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর ১টা ৯ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে যুক্তিতর্ক শুনানি চলাকালে দুপুর ১টা ২ মিনিটে সোহেল রানাকে মারতে যান স্বপ্না আক্তার। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা তাকে বাধা দেন। তখন বিচারক বলেন, আপনারা দুজনে নীরবে শোনেন। গতকাল আপনাদের আত্মপক্ষ শুনানিতে আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। আজ আপনারা যুক্তিতর্ক শোনেন। না হলে আপনাদের হাজতখানায় পাঠানো হবে। এ সময় স্বপ্না আক্তার অঝোরে কাঁদতে থাকেন। এছাড়া, যুক্তিতর্ক শুনানিতে তোলার আগে অসুস্থতা অনুভব করেন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়। এদিকে, গত মঙ্গলবার (২ জুন) রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছ

অঝোরে কাঁদছেন স্বপ্না, নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে ঘাতক সোহেল

আদালতের কাঠগড়ায় থাকা আসামি সোহেল রানাকে ক্ষুব্ধ হয়ে মারতে উদ্যত হওয়ার পরপরই অঝোরে কাঁদলেন স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। এসময় অপলক দৃষ্টিতে স্বপ্নার দিকে তাকিয়ে ছিলেন তার স্বামী সোহেল রানা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর ১টা ৯ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে যুক্তিতর্ক শুনানি চলাকালে দুপুর ১টা ২ মিনিটে সোহেল রানাকে মারতে যান স্বপ্না আক্তার। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা তাকে বাধা দেন।

তখন বিচারক বলেন, আপনারা দুজনে নীরবে শোনেন। গতকাল আপনাদের আত্মপক্ষ শুনানিতে আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। আজ আপনারা যুক্তিতর্ক শোনেন। না হলে আপনাদের হাজতখানায় পাঠানো হবে। এ সময় স্বপ্না আক্তার অঝোরে কাঁদতে থাকেন।

এছাড়া, যুক্তিতর্ক শুনানিতে তোলার আগে অসুস্থতা অনুভব করেন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এদিকে, গত মঙ্গলবার (২ জুন) রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছিল সোহেল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow