অধিনায়কের ৯ ছক্কার ইনিংসেও আক্ষেপ, ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বেঙ্গালুরুর ২৫৪

ইশ, আর দুই-তিনটা বল পেলেই হয়তো সেঞ্চুরিটা হয়ে যেতো। রজত পাতিদার ৩৩ বলে অপরাজিত থাকলেন ৯৩ রানের ঝড় তুলে। যে ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে হাঁকালেন ৯টি ছক্কা! প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। যে দল জিতবে, তারা সরাসরি ফাইনালে নাম লেখাবে। আইপিএলে এমন এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বিরাট কোহলি-রজত পাতিদারের ব্যাটে চড়ে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের পাহাড় গড়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অর্থাৎ জিততে হলে গুজরাট টাইটান্সকে করতে হবে ২৫৫। ধর্মশালায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিলেন ভেঙ্কটেশ আয়ার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৭ বলে ১৯ করে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। তবে বিরাট কোহলি চালিয়ে খেলতে থাকেন। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৭৬ রান তোলে বেঙ্গালুরু। আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (২৮২) খেলার রেকর্ড গড়া কোহলি হাফসেঞ্চুরির কাছে এসে আউট হন। ২৫ বলে ৫ চার আর ১ ছক্কায় ৪৩ রান আসে কোহলির ব্যাট থেকে। দেবদূত পাডিক্কেলের সঙ্গে ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন তিনি। পাডিক্কেল করেন ১৯ বলে ৩০ রান। এরপর ৪৭ বলে ৯৫ রানের মারকুটে জুটি গড়েন রজত পাতিদার আর ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২৮ বলে ৪৩ করে আউট হন ক্রুনাল। কিন্তু পাতিদার একের পর এক ছক্কা হাঁকাতে থাকেন। ২১ বলে

অধিনায়কের ৯ ছক্কার ইনিংসেও আক্ষেপ, ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বেঙ্গালুরুর ২৫৪

ইশ, আর দুই-তিনটা বল পেলেই হয়তো সেঞ্চুরিটা হয়ে যেতো। রজত পাতিদার ৩৩ বলে অপরাজিত থাকলেন ৯৩ রানের ঝড় তুলে। যে ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে হাঁকালেন ৯টি ছক্কা!

প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। যে দল জিতবে, তারা সরাসরি ফাইনালে নাম লেখাবে। আইপিএলে এমন এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বিরাট কোহলি-রজত পাতিদারের ব্যাটে চড়ে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের পাহাড় গড়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। অর্থাৎ জিততে হলে গুজরাট টাইটান্সকে করতে হবে ২৫৫।

ধর্মশালায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিলেন ভেঙ্কটেশ আয়ার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৭ বলে ১৯ করে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে।

তবে বিরাট কোহলি চালিয়ে খেলতে থাকেন। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৭৬ রান তোলে বেঙ্গালুরু। আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (২৮২) খেলার রেকর্ড গড়া কোহলি হাফসেঞ্চুরির কাছে এসে আউট হন।

২৫ বলে ৫ চার আর ১ ছক্কায় ৪৩ রান আসে কোহলির ব্যাট থেকে। দেবদূত পাডিক্কেলের সঙ্গে ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন তিনি। পাডিক্কেল করেন ১৯ বলে ৩০ রান।

এরপর ৪৭ বলে ৯৫ রানের মারকুটে জুটি গড়েন রজত পাতিদার আর ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২৮ বলে ৪৩ করে আউট হন ক্রুনাল।

কিন্তু পাতিদার একের পর এক ছক্কা হাঁকাতে থাকেন। ২১ বলে ফিফটি তুলে নেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। ১০.১ ওভারে ১০০ পার করা বেঙ্গালুরু দুইশর ঘর ছোঁয় ১৬.৪ ওভারেই।

শেষ পর্যন্ত পাতিদার সেঞ্চুরি পাননি। ৩৩ বলে ৫ চার আর ৯ ছক্কায় ৯৩ রানে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন। তবে নিজে আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও দলের জন্য কাজের কাজ করে দিয়েছেন।

গুজরাট টাইটান্সের জেসন হোল্ডার আর কাগিসো রাবাদা নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

এমএমআর

 

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow