অনন্ত পৃথ্বীরাজের একগুচ্ছ কবিতা
মেঠোপথে হেঁটে যায় চৈত্র মাস, কালবৈশাখী চোখ রাঙায়,কুমারি বৃষ্টির ছিটা সুরসুরি কাটেষোড়ষীর শরীরে। বেগানা যুবকেরনখের আখড়ে টোকা দিতেইশিউরে ওঠে কাঁচাতন্বী,ও দেহে আগুন আছে। করবী ফুলের আভা মেঘের মাস্তুলেভ্রমরের গুঞ্জনে কুঞ্জবন মাতোয়ারাপাখিদের কলতানে উদাস মন ফিরেযায় রূপসী বাংলায়। ঘ্রাণ টানা পথেহেঁটে চলে যায় সরু কোমর দুলিয়েকোনো এক অচেনা নারী।মৃদু আঁধারে ফাঁপ ওঠা মাছের মতোখাবি খায় যুবা পুরুষ সমাজ। ঝুম বৃষ্টির অর্কেস্ট্রা আহ! বৃষ্টি ঝুম বৃষ্টি,কত প্রতীক্ষার অপলক দৃষ্টিচেয়ে থাকা, না পাওয়ার কষ্টপ্রকৃতির অকৃপণ ছলছল প্রাণদৃশ্যের বাইরে যেন মাথা নষ্ট। প্রিয় বৃষ্টি, বিধাতার সৃষ্টিঠোঁট তার মোলায়েম, অপরূপ দৃষ্টি যেন রসগোল্লা, চমচম মিষ্টি। এই শহরটি কাকের এই শহরটি কাকেরসবাই রাজা-প্রজা,উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরেকরবে কত খেলা। কাকের মতোই জীবনকত কষ্ট ভাইনা খেয়ে পড়ে আছেদেখার কেউ নাই। লোডশেডিং বিদ্যুৎ চলে গেলেখুপড়ি ঘরে অসহ্য গরম লাগেঅতিষ্ট জীবনের দায় গরমের কাঁধে দিয়েমনে হয়, টিএসসি গিয়ে একটু হাওয়া খেয়ে আসি।তারপর থেকে এই যেচলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ী... এসইউ
মেঠোপথে হেঁটে যায়
চৈত্র মাস, কালবৈশাখী চোখ রাঙায়,
কুমারি বৃষ্টির ছিটা সুরসুরি কাটে
ষোড়ষীর শরীরে। বেগানা যুবকের
নখের আখড়ে টোকা দিতেই
শিউরে ওঠে কাঁচাতন্বী,
ও দেহে আগুন আছে।
করবী ফুলের আভা মেঘের মাস্তুলে
ভ্রমরের গুঞ্জনে কুঞ্জবন মাতোয়ারা
পাখিদের কলতানে উদাস মন ফিরে
যায় রূপসী বাংলায়। ঘ্রাণ টানা পথে
হেঁটে চলে যায় সরু কোমর দুলিয়ে
কোনো এক অচেনা নারী।
মৃদু আঁধারে ফাঁপ ওঠা মাছের মতো
খাবি খায় যুবা পুরুষ সমাজ।
ঝুম বৃষ্টির অর্কেস্ট্রা
আহ! বৃষ্টি ঝুম বৃষ্টি,
কত প্রতীক্ষার অপলক দৃষ্টি
চেয়ে থাকা, না পাওয়ার কষ্ট
প্রকৃতির অকৃপণ ছলছল প্রাণ
দৃশ্যের বাইরে যেন মাথা নষ্ট।
প্রিয় বৃষ্টি, বিধাতার সৃষ্টি
ঠোঁট তার মোলায়েম, অপরূপ দৃষ্টি
যেন রসগোল্লা, চমচম মিষ্টি।
এই শহরটি কাকের
এই শহরটি কাকের
সবাই রাজা-প্রজা,
উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে
করবে কত খেলা।
কাকের মতোই জীবন
কত কষ্ট ভাই
না খেয়ে পড়ে আছে
দেখার কেউ নাই।
লোডশেডিং
বিদ্যুৎ চলে গেলে
খুপড়ি ঘরে অসহ্য গরম লাগে
অতিষ্ট জীবনের দায় গরমের কাঁধে দিয়ে
মনে হয়, টিএসসি গিয়ে একটু
হাওয়া খেয়ে আসি।
তারপর থেকে এই যে
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ী...
এসইউ
What's Your Reaction?