অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল নীতিতে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেছেন, শুধু সঠিক সময়ে টিকাদানের মাধ্যমেই হাম প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিন্তু বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল নীতির কারণে দেশের টিকাদান কর্মসূচি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেশব্যাপী ‘হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেন, ২০২০ সালের পর ২০২৫ সালে আরেকটি জরুরি টিকাদান কর্মসূচি হওয়া উচিত ছিল, যা তৎকালীন সরকারের অবহেলায় সম্পন্ন হয়নি। গত ১৫ বছরে স্বাস্থ্য খাতে যে ব্যাপক দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছিল, তার ফলে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করার সুযোগ পাননি। এমনকি অনেকের বেতন-ভাতা নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সরকার তাৎক্ষণিকভাবে এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ৫টি মহানগরীতে টিকাদান সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ থেকে সার

অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল নীতিতে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেছেন, শুধু সঠিক সময়ে টিকাদানের মাধ্যমেই হাম প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিন্তু বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল নীতির কারণে দেশের টিকাদান কর্মসূচি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেশব্যাপী ‘হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেন, ২০২০ সালের পর ২০২৫ সালে আরেকটি জরুরি টিকাদান কর্মসূচি হওয়া উচিত ছিল, যা তৎকালীন সরকারের অবহেলায় সম্পন্ন হয়নি। গত ১৫ বছরে স্বাস্থ্য খাতে যে ব্যাপক দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছিল, তার ফলে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করার সুযোগ পাননি। এমনকি অনেকের বেতন-ভাতা নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সরকার তাৎক্ষণিকভাবে এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ৫টি মহানগরীতে টিকাদান সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ থেকে সারা দেশে একযোগে এই কর্মসূচি শুরু হলো। এবারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মোট ১ কোটি ৭৮ লাখ শিশুকে এই টিকা প্রদান করা হবে।

টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন— সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমিন, শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুদ রানাসহ স্থানীয় প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow