অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

নীলফামারীর ডিমলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের জোরজিগা এলাকার খুচু মামুদের ছেলে অলিয়ার রহমান (৪২) ও জাহিদুল ইসলাম (৩৬)। মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের জোরজিগা এলাকার এক গৃহবধূ গত ২৭ মে রাতে নিজ বাড়ি থেকে অপহরণের শিকার হন। ওই সময় বাড়িতে একা থাকায় কয়েকজন ব্যক্তি গৃহবধূকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। নির্যাতনের সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। তারা ভুক্তভোগীকে ঘটনা প্রকাশ করলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। একই সঙ্গে ভয়ভীতি দেখিয়ে কয়েকটি ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরও নেয়। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২ জুন বিকেলে অভিযুক্তরা তাকে ডিমলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফেলে রেখে যায়। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর স্বামী থানায় মামলা করেন। এতে অলিয়ার রহমান, আমির হোসেন ওরফে কাল

অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

নীলফামারীর ডিমলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের জোরজিগা এলাকার খুচু মামুদের ছেলে অলিয়ার রহমান (৪২) ও জাহিদুল ইসলাম (৩৬)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের জোরজিগা এলাকার এক গৃহবধূ গত ২৭ মে রাতে নিজ বাড়ি থেকে অপহরণের শিকার হন। ওই সময় বাড়িতে একা থাকায় কয়েকজন ব্যক্তি গৃহবধূকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

নির্যাতনের সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। তারা ভুক্তভোগীকে ঘটনা প্রকাশ করলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। একই সঙ্গে ভয়ভীতি দেখিয়ে কয়েকটি ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরও নেয়। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২ জুন বিকেলে অভিযুক্তরা তাকে ডিমলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফেলে রেখে যায়। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর স্বামী থানায় মামলা করেন। এতে অলিয়ার রহমান, আমির হোসেন ওরফে কালা, রবি মামুদ, আমজাদ হোসেন ও জাহিদুল ইসলামসহ ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার জাগো নিউজকে বলেন, ‘এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

আমিরুল হক/এএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow