অবশেষে পুরোদমে চালু হচ্ছে ভারতের ভিসা কার্যক্রম
দেড় বছরের কূটনৈতিক উত্তেজনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় পুরোদমে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা ইস্যু শুরু করেছে। অন্যদিকে ভারতও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রমে ফিরবে বলে জানা গেছে। ভারতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে দিল্লি সফরের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যুর মধ্যে ভিসা স্বাভাবিকীকরণকে অগ্রাধিকার দেন। বর্তমানে নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা ও চেন্নাইসহ বাংলাদেশের সব ভিসাকেন্দ্র চালু রয়েছে। ফলে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর জন্য দিল্লির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে ঢাকা। ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, গত বছরের ডিসেম্বরে কিছু ভিসা কেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরে ফেব্রুয়ারিতে সেগুলো আবার চালু করা হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকম
দেড় বছরের কূটনৈতিক উত্তেজনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় পুরোদমে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা ইস্যু শুরু করেছে। অন্যদিকে ভারতও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রমে ফিরবে বলে জানা গেছে।
ভারতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে দিল্লি সফরের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যুর মধ্যে ভিসা স্বাভাবিকীকরণকে অগ্রাধিকার দেন।
বর্তমানে নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা ও চেন্নাইসহ বাংলাদেশের সব ভিসাকেন্দ্র চালু রয়েছে। ফলে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর জন্য দিল্লির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে ঢাকা।
ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, গত বছরের ডিসেম্বরে কিছু ভিসা কেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরে ফেব্রুয়ারিতে সেগুলো আবার চালু করা হয়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী দায়িত্ব নেওয়ার পরই ভিসা সেবা পুরোপুরি চালু হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। পরবর্তীতে ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সেই উত্তেজনা আরও বাড়ে। ওই সময় ঢাকায় বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে উভয় দেশই ভিসা ও কনস্যুলার সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করে।
পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হতে শুরু করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনের পর বিএনপির নেতা তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ব্যস্ততার কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পরিবর্তে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ভিসা ও কনস্যুলার সেবা পুনরায় চালু করে। এখন কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভারতের পক্ষ থেকেও পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?