অবশেষে মাঠে নামলেন নেইমার
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচের প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল কিংবা নরওয়ে। গোলশূন্য সমতায় (০-০) প্রথমার্ধ শেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে প্রবেশ করেছে ম্যাচটি। ৬৮তম মিনিটে বদলি হিসেবে মার্তিনেল্লির বদলি হিসেবে আনচেলত্তি নেইমারকে মাঠে নামালেন।
নেইমারের সঙ্গে একই সময়ে মাঠে নামেন দানিলো সান্তোসও। মাঠ ছাড়েন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি ও রায়ান। ফলে আক্রমণভাগে নতুন শক্তি যোগ করে ব্রাজিল।
দীর্ঘদিন পর বিশ্বকাপের মঞ্চে নেইমারের উপস্থিতি ম্যাচে নতুন মাত্রা যোগ করে। অভিজ্ঞ এই তারকা বদলি হিসেবে নেমে দলের আক্রমণে গতি ও সৃজনশীলতা বাড়াতে পারেন কি না, তা নিয়েই এখন আগ্রহ ফুটবল বিশ্বে।
প্রথমার্ধের যোগ করার সময়ে ওডেগার্ডের একটি শট সেচ করেন অ্যালিসন। ৪০তম মিনিটে ভিনিসিউসের শট সেভ করেন নরওয়ে গোলকিপার।
ম্যাচের ১১তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে কুনহাকে ফাউল করেন নরওয়ের এক ডিফেন্ডার। প্রথমে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও, পরে ভিডিও অ্যাসিস্টেন্টের সাহায্যে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। তবে গিমারেসের শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলকিপার নিল্যান্ড।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নরওয়ে। তবে তাদের গোলটি অফসাইডে বাতিল হয়।
ইতিহাসে এখন পর্যন্ত
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচের প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল কিংবা নরওয়ে। গোলশূন্য সমতায় (০-০) প্রথমার্ধ শেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে প্রবেশ করেছে ম্যাচটি। ৬৮তম মিনিটে বদলি হিসেবে মার্তিনেল্লির বদলি হিসেবে আনচেলত্তি নেইমারকে মাঠে নামালেন।
নেইমারের সঙ্গে একই সময়ে মাঠে নামেন দানিলো সান্তোসও। মাঠ ছাড়েন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি ও রায়ান। ফলে আক্রমণভাগে নতুন শক্তি যোগ করে ব্রাজিল।
দীর্ঘদিন পর বিশ্বকাপের মঞ্চে নেইমারের উপস্থিতি ম্যাচে নতুন মাত্রা যোগ করে। অভিজ্ঞ এই তারকা বদলি হিসেবে নেমে দলের আক্রমণে গতি ও সৃজনশীলতা বাড়াতে পারেন কি না, তা নিয়েই এখন আগ্রহ ফুটবল বিশ্বে।
প্রথমার্ধের যোগ করার সময়ে ওডেগার্ডের একটি শট সেচ করেন অ্যালিসন। ৪০তম মিনিটে ভিনিসিউসের শট সেভ করেন নরওয়ে গোলকিপার।
ম্যাচের ১১তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে কুনহাকে ফাউল করেন নরওয়ের এক ডিফেন্ডার। প্রথমে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও, পরে ভিডিও অ্যাসিস্টেন্টের সাহায্যে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। তবে গিমারেসের শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলকিপার নিল্যান্ড।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নরওয়ে। তবে তাদের গোলটি অফসাইডে বাতিল হয়।
ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। কিন্তু অবাক করার মতো হলেও, এই চার দেখায় একবারও জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ে জিতেছে দুটি ম্যাচ, বাকি দুটি হয়েছে ড্র।
এর আগে দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই ম্যাচটি ১–১ গোলে ড্র হয়েছিল।