সাভারে ব্যবসার নামে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ

ঢাকার সাভারে ব্যবসার কথা বলে এবং জমি ও বহুতল ভবন বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. এরশাদ আলী (৪৩) বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ ওঠা ব্যক্তির নাম সৈয়দ আদীব হক (৩০)। তিনি সাভারের কলমা ডেইরি ফার্ম এলাকার সৈয়দ আজহারুল হকের ছেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে অভিযুক্ত সৈয়দ আদীব হক তার ব্যবসার প্রয়োজনে এরশাদ আলীর কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা ধার নেন। এই লেনদেনের বিপরীতে সরকারি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি লিখিত চুক্তিনামা করা হয়। চুক্তির সময় বিবাদী আদীব হক আশ্বস্ত করেছিলেন যে, তিনি তার মালিকানাধীন ‘সেঞ্চুরি গার্মেন্টস’-এর সপ্তম তলা ভবনটি জমিসহ বিক্রয় করে এরশাদ আলীর সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করবেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আদীব হক তার নিজ নামে থাকা ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি স্বাক্ষর করা চেক এরশাদ আলীকে প্রদান করেন। ভ

সাভারে ব্যবসার নামে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ
ঢাকার সাভারে ব্যবসার কথা বলে এবং জমি ও বহুতল ভবন বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. এরশাদ আলী (৪৩) বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ ওঠা ব্যক্তির নাম সৈয়দ আদীব হক (৩০)। তিনি সাভারের কলমা ডেইরি ফার্ম এলাকার সৈয়দ আজহারুল হকের ছেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে অভিযুক্ত সৈয়দ আদীব হক তার ব্যবসার প্রয়োজনে এরশাদ আলীর কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা ধার নেন। এই লেনদেনের বিপরীতে সরকারি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি লিখিত চুক্তিনামা করা হয়। চুক্তির সময় বিবাদী আদীব হক আশ্বস্ত করেছিলেন যে, তিনি তার মালিকানাধীন ‘সেঞ্চুরি গার্মেন্টস’-এর সপ্তম তলা ভবনটি জমিসহ বিক্রয় করে এরশাদ আলীর সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করবেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আদীব হক তার নিজ নামে থাকা ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি স্বাক্ষর করা চেক এরশাদ আলীকে প্রদান করেন। ভুক্তভোগী এরশাদ আলী বলেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি পাওনা টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত আদীব হক ‘দিব-দিচ্ছি’ বলে টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি এরশাদ আলীকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। থানায় অভিযোগ দিতে বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে এরশাদ আলী বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রথমে তিনি নিজের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিবাদী কোনো সমাধান না করায় শেষ পর্যন্ত তিনি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।  এ বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হলেও সৈয়দ আদীব হকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফয়জুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, ভুক্তভোগী এরশাদ আলীর একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow