অবৈধভাবে মজুত সাড়ে ১৩ হাজার লিটার তেল উদ্ধার

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি তেল পাম্পে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ১৩ হাজার ৫০০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে সরকারি লাইসেন্স না থাকায় পাম্প কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের পূর্ব বাঘইল এলাকায় অবস্থিত ‘যমুনা মিনি তেল পাম্পে’ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পাম্পটি থেকে সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন, সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল এবং সাড়ে ৪ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।  জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পাম্পটি বন্ধ রেখে এসব জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করে রাখা হয়েছিল। অভিযান চলাকালে পাম্প কর্তৃপক্ষ বৈধ কোনো বিস্ফোরক লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী পাম্পটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে মজুত তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির জন্য পাম্পটি উন্মুক্ত করে দেন ভ্রাম্যমাণ

অবৈধভাবে মজুত সাড়ে ১৩ হাজার লিটার তেল উদ্ধার

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি তেল পাম্পে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ১৩ হাজার ৫০০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে সরকারি লাইসেন্স না থাকায় পাম্প কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের পূর্ব বাঘইল এলাকায় অবস্থিত ‘যমুনা মিনি তেল পাম্পে’ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পাম্পটি থেকে সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন, সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল এবং সাড়ে ৪ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। 

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পাম্পটি বন্ধ রেখে এসব জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করে রাখা হয়েছিল।

অভিযান চলাকালে পাম্প কর্তৃপক্ষ বৈধ কোনো বিস্ফোরক লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী পাম্পটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে মজুত তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির জন্য পাম্পটি উন্মুক্ত করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার জানান, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল মজুত তেল উদ্ধার করা হয়েছে। পাম্প কর্তৃপক্ষের সরকারি বিস্ফোরক লাইসেন্স ছিল না। সাধারণ মানুষ যেন সহজে জ্বালানি তেল পেতে পারে, সে জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পাম্পটি খুলে দিয়ে তেল বিক্রি শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow