অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় হাঙ্গেরিতে মারা গেছেন এক বাংলাদেশি যুবক।  সোমবার (২০ জুলাই) ওই বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবারকে জানায় পুলিশ। নিহত ফরিদুর রহমান (৩২) ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের পূর্ব বারাহীগুনী গ্রামের সফি ডাক্তার বাড়ির মফিজুর রহমানের ছেলে।  পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন ইতালিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন ফরিদুর। প্রায় ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে একটি দালাল চক্র তাকে ইতালিতে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। প্রথমে তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নেওয়া হয়। পরে নর্থ মেসিডোনিয়া ও সার্বিয়া হয়ে সড়কপথে হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করানো হয়। ফরিদুরের ভাই কাজী মোহাম্মদ বাবুল জানান, জঙ্গলের মধ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান করানোর কারণে ফরিদুর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাঙ্গেরির একটি হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের আরেক ভাই কাজী নজরুল ইসলাম জানান, গত ২৪ জুন ফরিদুরের সঙ্গে তাদের শেষবারের মতো মোবাইলে কথা হয়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। দালাল চক্রের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা সন্তোষজনক কোনো

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় হাঙ্গেরিতে মারা গেছেন এক বাংলাদেশি যুবক।  সোমবার (২০ জুলাই) ওই বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবারকে জানায় পুলিশ।

নিহত ফরিদুর রহমান (৩২) ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের পূর্ব বারাহীগুনী গ্রামের সফি ডাক্তার বাড়ির মফিজুর রহমানের ছেলে। 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন ইতালিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন ফরিদুর। প্রায় ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে একটি দালাল চক্র তাকে ইতালিতে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। প্রথমে তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নেওয়া হয়। পরে নর্থ মেসিডোনিয়া ও সার্বিয়া হয়ে সড়কপথে হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করানো হয়।

ফরিদুরের ভাই কাজী মোহাম্মদ বাবুল জানান, জঙ্গলের মধ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান করানোর কারণে ফরিদুর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাঙ্গেরির একটি হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের আরেক ভাই কাজী নজরুল ইসলাম জানান, গত ২৪ জুন ফরিদুরের সঙ্গে তাদের শেষবারের মতো মোবাইলে কথা হয়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। দালাল চক্রের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা সন্তোষজনক কোনো তথ্য দেননি। অবশেষে সোমবার পুলিশ তাদের বাড়িতে এসে ফরিদুরের মৃত্যুর খবর জানায়। তবে ঠিক কবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেনি।

দাগনভূঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ফরিদুরের ঠিকানা ও পরিচয় যাচাই করে পরিবারকে মৃত্যুর বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তার মরদেহ বর্তমানে হাঙ্গেরিতে রয়েছে।

দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদুল ইসলাম বলেন, হাঙ্গেরিতে দাগনভূঞার এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। মরদেহ দেশে আনা কিংবা অন্য যেকোনো প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে প্রশাসন পরিবারটির পাশে থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow