অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা আর নেই
জীবনের অমোঘ নিয়মে প্রিয়জন হারানোর বেদনা সব সময়ই ভারী। এবার সেই বেদনার মেঘ নেমে এসেছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার পরিবারে। বাবাকে হারালেন এই গুণী অভিনয়শিল্পী।
বুধবার ১৫ এপ্রিল সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর আদাবরে নিজ বাসায় বার্ধক্যজনিত কারণে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বন্যার বাবা মির্জা এনামুল বারি ফারুক। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বন্যা মির্জার বাবার মৃত্যুর খবরটি একটি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে মির্জা এনামুল বারি ফারুক ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক। তার স্ত্রী খুরশিদা আক্তার একজন গৃহিণী। চার কন্যাসন্তানের মধ্যে বন্যা মির্জা দ্বিতীয়।
একসময় ছোট পর্দায় নিয়মিত উপস্থিতি ছিল বন্যা মির্জার। মঞ্চ ও টেলিভিশনে তার কাজ দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘হেডমাস্টার’, ‘শরৎ ৭১’, ‘রাবেয়া’, ‘খ চিত্র ৭১’ ও ‘পিতা’।
জীবনের অমোঘ নিয়মে প্রিয়জন হারানোর বেদনা সব সময়ই ভারী। এবার সেই বেদনার মেঘ নেমে এসেছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার পরিবারে। বাবাকে হারালেন এই গুণী অভিনয়শিল্পী।
বুধবার ১৫ এপ্রিল সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর আদাবরে নিজ বাসায় বার্ধক্যজনিত কারণে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বন্যার বাবা মির্জা এনামুল বারি ফারুক। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বন্যা মির্জার বাবার মৃত্যুর খবরটি একটি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে মির্জা এনামুল বারি ফারুক ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক। তার স্ত্রী খুরশিদা আক্তার একজন গৃহিণী। চার কন্যাসন্তানের মধ্যে বন্যা মির্জা দ্বিতীয়।
একসময় ছোট পর্দায় নিয়মিত উপস্থিতি ছিল বন্যা মির্জার। মঞ্চ ও টেলিভিশনে তার কাজ দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘হেডমাস্টার’, ‘শরৎ ৭১’, ‘রাবেয়া’, ‘খ চিত্র ৭১’ ও ‘পিতা’।